তথ্য জানতে ফোন করায় হেয়প্রতিপন্ন ও তথ্য সংগ্রহে বাধা দেওয়ার অভিযোগ

ছাতকে সাংবাদিককে শিক্ষা কর্মকর্তার ‘অশোভন আচরণ’

post-title

সংগৃহীত

সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ শাহজাহান আহমদের বিরুদ্ধে সাংবাদিকের সঙ্গে অশোভন আচরণ, অশ্লীল ভাষায় কথা বলা, হেয়প্রতিপন্ন করা এবং তথ্য সংগ্রহে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগকারী সাংবাদিক মোঃ তাজিদুল ইসলাম বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ) ছাতক উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক, এনটিভি ইউরোপের ছাতক উপজেলা প্রতিনিধি এবং দৈনিক সিলেট বানী ও দৈনিক হাওড় বার্তার স্টাফ রিপোর্টার।

বুধবার রাত ৮টা ২৭ মিনিটে হোয়াটসঅ্যাপে কল করে ছাতকে ‘মেধাবৃত্তি প্রতিযোগিতা’র নামে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০ টাকা করে নেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে চান সাংবাদিক তাজিদুল ইসলাম। অভিযোগ রয়েছে, বিষয়টি নিয়ে কোনো বক্তব্য না দিয়ে শিক্ষা কর্মকর্তা তার সঙ্গে অশোভন ও আপত্তিকর ভাষায় কথা বলেন।

এ সময় শিক্ষা কর্মকর্তা বলেন, “আমার ফোনে কথা বলার সময় নেই” এবং “তুমি সাংবাদিক না, যেছা থাকো, কথা বলতে পারবো না।” পরে তিনি ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন বলে অভিযোগ করেন সাংবাদিক তাজিদুল ইসলাম।

সাংবাদিক তাজিদুল ইসলামের অভিযোগ, জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে তথ্য বা বক্তব্য জানতে শিক্ষা কর্মকর্তাকে ফোন করা হলে তিনি প্রায়ই সংবাদকর্মীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। এতে দায়িত্ব পালনকালে তথ্য সংগ্রহে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হচ্ছে।

তিনি বলেন, “জনস্বার্থে একটি অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বক্তব্য জানতে ফোন করেছিলাম। কিন্তু বক্তব্য দেওয়ার পরিবর্তে আমার সঙ্গে অশোভন আচরণ করা হয়েছে। একজন সরকারি কর্মকর্তার কাছ থেকে সাংবাদিকের সঙ্গে এমন আচরণ কাম্য নয়।”

এ ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সাংবাদিকদের দায়িত্ব পালনে সহযোগিতা এবং সরকারি কর্মকর্তাদের কাছ থেকে সংবাদকর্মীদের সঙ্গে পেশাদার ও সৌজন্যমূলক আচরণ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

টিএ/ছাতক