মোবাইল চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে হবিগঞ্জে দুই গ্রামের সংঘর্ষ, আহত শতাধিক

post-title

ছবি সংগৃহিত

হবিগঞ্জ সদর উপজেলায় মোবাইল ফোন চুরির অভিযোগকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত টানা তিন ঘণ্টা ধরে চলা এ সংঘর্ষে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে হবিগঞ্জ জেলা সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

শুক্রবার সকালে সদর উপজেলার রাজিউড়া ইউনিয়নের জয়রামপুর ও নিজামপুর ইউনিয়নের নিতাইরচক গ্রামের লোকজনের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুই দিন আগে নিতাইরচক গ্রামের নানু মিয়ার বাড়ি থেকে একটি মোবাইল ফোন চুরি হয়। এ ঘটনায় জয়রামপুর গ্রামের জালাল মিয়া জড়িত বলে অভিযোগ ওঠে। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটির ঘটনাও ঘটে।

বিষয়টি মীমাংসার জন্য শুক্রবার সকালে স্থানীয় মুরব্বিরা সালিশ বৈঠকের আয়োজন করেন। তবে বেলা ১০টার দিকে বৈঠকে উপস্থিত না হয়ে দুই পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।

খবর পেয়ে হবিগঞ্জ সদর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। এ সময় পুলিশ কয়েক রাউন্ড টিয়ারশেল ও ফাঁকা গুলি নিক্ষেপ করে। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আসে।

এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে দাবি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে তোফাজ্জুল মিয়া, জিতু মিয়া, আব্দুল আহাদ, আদম আলী, সোহেল মিয়া, সানু মিয়া, নানু মিয়া, লিটন মিয়া, নুরুজ মিয়া, মারাজ মিয়া, হাবিবুর রহমান, এমদাদুল মিয়া, শিষ আলী, পারভেজ মিয়া, বিলাল মিয়া ও আক্কাস মিয়াকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে হবিগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল হক জানান, বর্তমানে ওই এলাকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। পুনরায় সংঘর্ষ এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

এসএ/সিলেট