সিলেটে হানি ট্র্যাপ চক্রের ৪ সদস্য গ্রেফতার : ভিকটিম উদ্ধার

post-title

ছবি সংগৃহীত

সিলেট কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশের অভিযানে হানিট্রাপ চক্রের নারীসহ ৪ সদস্য গ্রেফতার করা হয়। এসময় ২ জন ভিকটিম উদ্ধার করা হয়।

শুক্রবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে ভিকটিমের অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান চালিয়ে তাদের ৪জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় তাদের নিকট থেকে ১টি প্রাইভেট কার, ১টি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও ৫টি মোবাইল সেট উদ্ধার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- সিলেটের কানাইঘাট থানাধীন বাউরবাগ, ২য় খন্ড সুরইঘাটের আজিজুল হক ওরফে বাবুল মিয়া ও ফায়ারুন নেছার মেয়ে তানজিলা আক্তার ওরফে রাবেয়া বেগম তানহা, গোয়াইনগাট থানাধীন জাফলং মোহাম্মদপুর এলাকার আলাল উদ্দিন ও নাসিমা বেগমের ছেলে আব্দুল জলিল, কোতোয়ালী থানাধীন মিরাবাজার আগপাড়া এলাকার জাহাঙ্গীর আলম ও আনোয়ারা বেগমের মেয়ে জেসমিন আক্তার, সিলেটের মোগলাবাজার থানাধীন গঙ্গানগর এলাকার তোফাজ্জল আলী ও মালেকা বেগমের ছেলে মো. জায়েদ আহমদ।

পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) কোতোয়ালী থানাধীন মেন্দিবাগ এলাকা থেকে ভিকটিম মাহমুদুল হাসান রিফাত (২৫) ও তার বন্ধু মাহফুজ আলীকে (২৫) ওই চক্রের সদস্যরা তাদের সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে নগরীর যতরপুর এলাকার নবপুষ্প-১১৩নং বাসার ৫ম তলার একটি কক্ষে নিয়ে রাখে। সেখানে তারা ধারালো অস্ত্র প্রদর্শন করে ইলেকট্রিক শক প্রদানের মাধ্যমে শারীরিক নির্যাতন চালায়।

এ সময় জোরপ‚র্বক উলঙ্গ করে অশ্লীল ভিডিও ধারণ করা হয়েছে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ১০ লক্ষ টাকা দাবি করে। এসব কাজের শুরু থেকেই তারা জেসমিন ও তানহাকে ব্যবহার করে।

পরবর্তীতে ভিকটিম মাহমুদুল হাসান রিফাত তার আত্মীয়-স্বজনের কাছ থেকে ৯০ হাজার টাকা সংগ্রহ করে দেন। তখন ভিকটিমের পরিবারে লোকজনের মনে সন্দেহ জাগলে তারা কোতোয়ালী থানায় অভিযোগ করেন এবং পুলিশ অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার ও ভিকটিমদের উদ্ধার করে। তাদের বিরুদ্ধে কোতোয়ালী থানায় মামলা (নং-১৯-১১/৪/২৬) দায়ের করে পর্ণোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে আদালতে সোর্পদ করা হয়েছে বলে জানান মহানগর পুলিশের গণমাধ্যম র্কমর্কমতা মো. মনজুরুল আলম।


এসএ/সিলেট