কানাইঘাটে নজরুল বর্ষের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

post-title

ছবি সংগৃহীত

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কালজয়ী সৃষ্টিকর্ম ও অসাম্প্রদায়িক আদর্শ নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে সিলেটের কানাইঘাটে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করা হয়েছে।

সোমবার (৩১ আগস্ট) সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশব্যাপী এই প্রতিযোগিতার শুভ উদ্বোধন করেন। প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের মাধ্যমেই কানাইঘাট উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। পরে এক আলোচনা সভা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

এতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমাইয়া ফেরদৌসের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মিফতাউল ইসলাম, উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা প্রাণকৃষ্ণ হাওলাদার, কানাইঘাট সরকারী কলেজের অধ্যক্ষের প্রতিনিধি উপজেলা ও পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ফরিদ আহমদ, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপার ভাইজার শাখাওয়াত হোসেন, কানাইঘাট পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, কানাইঘাট প্রেসক্লাবের সভাপতি নিজাম উদ্দিন, উপজেলা জাসাসের সভাপতি আমিনুল ইসলাম, সাধারন সম্পাদক কলিম উল্লাহ সহ স্থানীয় গণ্যমান্য নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। বক্তারা বলেন, কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য, সংগীত ও সাম্যবাদী চিন্তা তরুণ সমাজকে দেশপ্রেম, ন্যায়বিচার, মানবিকতা ও অসাম্প্রদায়িক চেতনায় উদ্বুদ্ধ করে।

এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা জাতীয় কবির আদর্শকে ধারণ করার সুযোগ পাবে। জানা যায় আগামী ৩১ আগস্ট থেকে শুরু হয়ে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত প্রাথমিক, মাধ্যমিক, কারিগরি ও কলেজ পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা নজরুল সংগীত, কবিতা আবৃত্তি, চিত্রাঙ্কন, একক অভিনয় এবং নজরুল সংগীতভিত্তিক একক নৃত্য প্রতিযোগীতায় অংশ গ্রহণ করবেন।

তবে প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য আবৃত্তিতে ‘ভোর হলো’, ‘খোকার সাধ’, ‘খুকি ও কাঠবিড়ালী’, ‘মোসাহেব’ ও ‘লিচু চোর’ কবিতা নির্ধারণ করা হয়েছে এবং কারিগরি ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে ‘সংকল্প’, ‘কান্ডারি হুঁশিয়ার’, ‘বিদ্রোহী’, ‘মানুষ’ ও ‘ওমর ফারুক’ কবিতা। উপজেলা পর্যায়ে মাধ্যমিক, কারিগরি ও কলেজ পর্যায়ের প্রতিযোগিতা হবে আগামী ২ থেকে ২১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এবং প্রাথমিকের প্রতিযোগিতা হবে ২২ থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর। উপজেলা পর্যায়ে প্রতিটি বিষয় যারা প্রথম স্থান অর্জন করবেন, তারা জেলা পর্যায়ে অংশ গ্রহণ করবেন। এ ভাবে বিজয়ী শিক্ষার্থীরা একের পর এক ধাপ পেরিয়ে সর্বশেষ জাতীয় পর্যায়ে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করবে এবং যারা জাতীয় পর্যায়ে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জন করবেন তাদেরকে যথাক্রমে স্বর্ণ, রৌপ্য ও ব্রোঞ্জ পদক এবং সনদ দেওয়া হবে।




এসএ/সিলেট