৫ অঞ্চলে ভাগ করা হলো...
পাঁচটি অঞ্চলে বিভক্ত করা হলো সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ৪২টি ওয়ার্ড। দৈনন্দিন ও অন্যান্য সেবামূলক কার্য পরিচালনা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নগরকে অঞ্চল ভিত্তিক...
ছবি সংগৃহীত
নগরীতে ‘হানিট্র্যাপ’ চক্রের এক সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৯)। মঙ্গলবার (৫ মে) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে সিলেটের শাহপরান থানার মিরেরচক এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার বকুল আহমদ জিহাদ সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার তুরুকবাগ এলাকার রমিজ উদ্দিনের ছেলে।
র্যাব-৯ সূত্র জানায়, গোলাপগঞ্জের বাদে রণকেলী এলাকার বাসিন্দা মাহমুদুল হাসান রিফাত পূর্ব পরিচয়ের সূত্র ধরে আব্দুল জলিল নামের এক ব্যক্তির মাধ্যমে জেসমিন আক্তার নামের এক নারীর সঙ্গে পরিচিত হন। পরবর্তীতে তাদের মধ্যে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ চলতে থাকে।
গত ৯ এপ্রিল রাত আনুমানিক সোয়া ৮টার দিকে ভিকটিম তার এক বন্ধুকে নিয়ে সিলেট নগরীর কোতোয়ালী থানার যতরপুর এলাকার একটি বাসায় জেসমিন আক্তারের সঙ্গে দেখা করতে যান। সেখানে পূর্বপরিকল্পিতভাবে কয়েকজন ব্যক্তি বাসায় প্রবেশ করে ধারালো অস্ত্রের মুখে তাদের জিম্মি করে।
এ সময় ভিকটিম ও তার বন্ধুকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয় এবং ইলেকট্রিক শক দেওয়া হয়। পরে তাদের পোশাক খুলে জোরপূর্বক অশ্লীল ভিডিও ধারণ করা হয়। অভিযুক্তরা তাদের কাছ থেকে দুটি মোবাইল ফোন, নগদ ১৫ হাজার টাকা, একটি রূপার চেইন ও একটি রূপার ব্রেসলেট ছিনিয়ে নেয়।
পরবর্তীতে ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ভিকটিমদের কাছে ১০ লাখ টাকা দাবি করা হয়। মানহানির ভয়ে ভিকটিম পরিচিতজনদের কাছ থেকে বিকাশের মাধ্যমে ৯০ হাজার টাকা সংগ্রহ করে অভিযুক্তদের প্রদান করেন।
ঘটনার পর ভিকটিম কোতোয়ালী মডেল থানায় মামলা দায়ের করলে র্যাব-৯ ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মামলার এজাহারভুক্ত পলাতক আসামি বকুল আহমদ জিহাদকে গ্রেফতার করা হয়। এর আগে একই মামলার আরও একজন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।
গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সিলেট কোতোয়ালী মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব-৯ এর মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এসএ/সিলেট