নগরীতে ৫৪ জন গ্রেফতার, ১৫২...
সিলেট মহানগরীতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় অভিযানে জোরদার কার্যক্রম চালিয়েছে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ (এসএমপি)। বুধবার গত ২৪ ঘণ্টার অভিযানে মহানগরীর বিভিন্ন থানা ও...
মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্বোধন
ছবি সংগৃহীত
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন নগর গড়তে নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করে বলেছেন, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের কর্মীরা একদিকে ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার করছেন, অন্যদিকে লোকজন যত্রতত্র ময়লা আবর্জনা ফেলছেন।
রাস্তাঘাট, বাসার পাশের খালি জায়গা, ড্রেনসহ যত্রতত্র ময়লা ফেলায় নগরীর বিভিন্ন স্থান মশার আবাসস্থলে পরিণত হচ্ছে। একদিকে মশার ঔষধ ছিটানো হচ্ছে, লার্ভা ধ্বংস করা হচ্ছে, অন্যদিকে মশা ডিম পাড়ছে। তাই প্রাণান্ত চেষ্ঠা করেও পুরোপুরি মশক নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে মশক নিধন ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন। মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম উদ্বোধনের আগে সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে সচেতনতামূল র্যালি বের করা হয়। র্যালিতে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার সহ সিলেট সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন।
এ সময় আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, প্রত্যেক নাগরিককে নিজের ঘরবাড়ি, আঙিনা পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। ব্যবসায়ীরা যাতে ময়ল আবর্জনা রাস্তায় বা ড্রেনে না ফেলেন সেটিও নিশ্চিত করতে হবে।
পরে সিসিক প্রশাসক নগরের দাড়িয়াপাড়ায় মশক নিধন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি বেশকিছু বাসার আশেপাশে ময়লা আবর্জনার স্তুপ দেখতে পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন সুন্দর একটি নগর গড়তে আমি মশক নিধনে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছি। কিন্তু আমরা প্রত্যেকে সচেতন না হলে এবং প্রত্যেকে নিজেদের আঙিনা পরিষ্কার না রাখলে সিটি কর্পোরেশনের পক্ষে নগর পরিষ্কার রাখা কোনোভাবেই সম্ভব নয়।
মশক নিধন কার্যক্রম উদ্বোধনকালে সিটি কর্পোরেশনের সচিব বিশ্বজিত দেব, ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. আলী আকবর, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মোহাম্মদ একলিম আবদীন, নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) জয়দেব বিশ্বাস, জনসংযোগ কর্মকর্তা নেহার রঞ্জন পুরকায়স্থ, মো. মাহবুবুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এসএ/সিলেট