নগরীতে অপহরন চক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার ও ভিকটিম উদ্ধার

post-title

ছবি সংগৃহীত

সিলেট নগরের এয়ারপোর্ট থানা এলাকায় প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে এক যুবককে ডেকে এনে অপহরণ, মারধর এবং মুক্তিপণ দাবির অভিযোগে নারীসহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ সময় অপহৃত যুবককে উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জিল্লুর রহমা নামে এক যুবকের সঙ্গে কিছুদিন আগে মোবাইল ফোনে পরিচয় হয় মীম আক্তার নাহিদার। পরিচয়ের পর তাদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ চলতে থাকে।

গত ১ জুন রাতে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী মীম আক্তার নাহিদা জিল্লুর রহমানকে দেখা করার কথা বলে এয়ারপোর্ট থানার ইলেকট্রিক সাপ্লাই রোড এলাকার বড়বাজার গলির মুখে ডেকে নেন। রাত সাড়ে ৮টার দিকে সেখানে পৌঁছালে মীম আক্তারসহ মিল্লাত, এমরান খান ও স্বপন আহমেদ তাকে জোরপূর্বক ধরে মারধর করে অপহরণ করে।

পরে তাকে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশাযোগে কুনিপাড়া এলাকায় নিয়ে একটি বসতঘরে আটকে রাখা হয়। সেখানে আগে থেকে অবস্থানরত শিল্পি বেগম ওরফে শিল্পি দেওয়ানসহ অন্যরা তাকে বেধড়ক মারধর করে। একপর্যায়ে তার কাছে থাকা ৮ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয় এবং পরিবারের কাছে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়।

ভিকটিমের চিৎকারে বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে এলে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ খবর দেওয়া হয়।

খবর পেয়ে ১ জুন রাত সাড়ে ১১টার দিকে এএসআই এমদাদ হোসেনের নেতৃত্বে এয়ারপোর্ট থানা পুলিশের একটি দল কুনিপাড়া এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানে অপহৃত জিল্লুর রহমানকে উদ্ধার করা হয় এবং ঘটনাস্থল থেকে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— মীম আক্তার নাহিদা (২২), মিল্লাত (২০), শিল্পি বেগম ওরফে শিল্পি দেওয়ান (৪০), এমরান খান (২৪) এবং স্বপন আহমেদ (২৩)।

এ ঘটনায় এয়ারপোর্ট থানায় অপহরণ, অবৈধ আটক, মারধর, চাঁদাবাজি, চুরি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এসএ/সিলেট