সুরমা নদীর তীর উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন

ঐতিহ্য রক্ষায় সমন্বিত উদ্যোগের ওপর জোর দিলেন সিসিক প্রশাসক

post-title

ছবি সংগৃহীত

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, সিলেটকে বিশ্বে পরিচিত করেছে এমন কয়েকটি ঐতিহ্যবাহী স্থাপনার মধ্যে আলী আমজদের ঘড়ি ও চাঁদনীঘাটের সিঁড়ি অন্যতম, যা সুরমা নদীর তীরেই অবস্থিত। এই দুটি ঐতিহ্য সিলেটের প্রবাদ-প্রবচনে একাত্ম হয়ে থাকলেও দুঃখজনকভাবে সুরমা নদী এখন মৃতপ্রায় অবস্থায় রয়েছে। “আমি আগামী ২ মে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে এই বাস্তব চিত্র দেখাব,”—বলেন তিনি।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে ক্বিনব্রিজ সংলগ্ন সুরমা নদীর তীরবর্তী বন্যা নিয়ন্ত্রণ অবকাঠামো নির্মাণ ও সৌন্দর্যবর্ধন প্রকল্পস্থল পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় তিনি আরও বলেন, “সুরমা নদী আমাদের ঐতিহ্য, পরিবেশ ও অর্থনীতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এই নদীকে রক্ষা ও পুনরুজ্জীবিত করতে সমন্বিত পরিকল্পনা ও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনা, তীর সংরক্ষণ, বন্যা নিয়ন্ত্রণ এবং সৌন্দর্যবর্ধনের মাধ্যমে সিলেটকে একটি আধুনিক ও আকর্ষণীয় নগর হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি।”

তিনি জানান, আগামী ২ মে চাঁদনীঘাট সংলগ্ন এলাকায় সিলেটের বন্যা নিয়ন্ত্রণে অবকাঠামো নির্মাণ ও সৌন্দর্যবর্ধন প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। একই দিনে তিনি সিটি কর্পোরেশন প্রাঙ্গণের খোলামাঠে সিলেটের নাগরিকদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখবেন।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন সিসিকের প্রধান প্রকৌশলী মো. আলী আকবর, সচিব মো. আশিক নূর, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা বিশ্বজিত দেব, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) একলিম আবদীন, নির্বাহী প্রকৌশলী (পূর্ত) রজি উদ্দিন খান, নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) জয়দেব বিশ্বাসসহ সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

এসএ/সিলেট