মানবতাবিরোধী অপরাধ: রাজধানীর...
চব্বিশের ৫ আগস্ট রাজধানীর চানখারপুলে ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় আজ। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর...
ফাইল ছবি
রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় দগ্ধ আরো এক শিশু শিক্ষার্থী মারা গেছেন। তার নাম আব্দুল মুসাব্বির মাকিন (১৩)। তিনি ওই স্কুলে ৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এ নিয়ে ওই দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৩ জনে দাঁড়িয়েছে।
শুক্রবার দুপুর ১টা ৫মিনিটের দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) মারা যায় শিশুটি। মাকিনের শ্বাসনালীসহ শরীরের ৭০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।
বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন নিহতের বাবা মো. মহসিন। তিনি বলেন, আমার ছেলে ৭ম শ্রেণীতে পড়ত। সে আর দুনিয়াতে নাই।
এর আগে, এদিন সকালে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আইসিইউ’তে তাসমিন আফরোজ আয়মান নামে এ ঘটনায় আরো এক শিশু মারা গেছেন। তার শরীরের ৪৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। গতকাল বৃহস্পতিবার আরো দুই শিশু প্রাণ হারান। তারা হলেন- মাহিয়া তাসনিম (১৫) ও মাহতাব রহমান (১৫)।
জানা যায়, সোমবারের বিমান দুর্ঘটনায় রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে বর্তমানে ৫০ জন চিকিৎসাধীন আছেন। তার মধ্যে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ৪০ জন, ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) আটজন, শহীদ মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একজন এবং জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে একজন রয়েছেন।
অন্যদিকে, জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ১৫ জন, ঢাকা সিএমএইচে ১৫ জন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একজন, লুবানা জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড কার্ডিয়াক সেন্টারে একজন এবং ইউনাইটেড হাসপাতাল লিমিটেডে একজনের মৃত্যু হয়েছে।
এর আগে, সোমবার দুপুরে বিমান বাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ বিমান উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাসের একটি ভবনে বিধ্বস্ত হয়। দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় এই সামরিক দুর্ঘটনায় হতাহতদের বেশিরভাগই শিশু।
এসএ/সিলেট