অনলাইনে প্রেম, এরপর চীন থেকে সিলেটে এসে তরুণীকে বিয়ে

post-title

ছবি সংগৃহীত

অনলাইনে পরিচয় ও প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে চীন থেকে সিলেটের ওসমানীনগরে এসে এক তরুণীকে বিয়ে করেছেন লিও ফাভিন নামের এক চীনা নাগরিক। বিয়ে ও ধর্মান্তর নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা দেখা দিলে পুলিশ তাঁকে নিরাপত্তা হেফাজতে নেয়।

পরে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ ও বিয়ের প্রমাণপত্র দেখানোর পর শ্বশুরবাড়ির লোকজনের জিম্মায় তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

সোমবার (৩ নভেম্বর) রাতে ওসমানীনগর থানা-পুলিশ তাঁকে হেফাজতে নেয়। পরে একই রাতে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওসমানীনগর উপজেলার তাজপুর ইউনিয়নের কাদিপুর গ্রামের দিঘিরপাড় এলাকায় পরিবার নিয়ে ভাড়া থাকেন জামাল মিয়া। তাঁর স্থায়ী বাড়ি সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার সাহারপাড়া এলাকায়।

জামাল মিয়ার মেয়ে ছামিয়া আক্তারের সঙ্গে অনলাইনে পরিচয় ও প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে চীনের জিয়াংসি এলাকার বাসিন্দা লিও ফাভিনের। সম্পর্কের টানে প্রায় এক সপ্তাহ আগে তিনি বাংলাদেশে এসে ছামিয়াদের বাড়িতে ওঠেন।

বিষয়টি জানাজানি হলে সোমবার বিকেল থেকে ওই বাড়িতে উৎসুক মানুষের ভিড় জমে। তাঁরা চীনা নাগরিককে দেখতে আসেন এবং তাঁর ধর্ম ও বিয়ে নিয়ে নানা প্রশ্ন তোলেন। একপর্যায়ে এলাকায় উত্তেজনা দেখা দিলে রাত ১১টার দিকে পুলিশ গিয়ে লিও ফাভিনকে নিরাপত্তা হেফাজতে নেয়।

পরে শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাঁর ইসলাম ধর্ম গ্রহণ ও বিয়ের প্রমাণপত্র দেখালে পুলিশ তাঁকে ছেড়ে দেয়।

লিও ফাভিন জানান, অনলাইনে ছামিয়ার সঙ্গে তাঁর পরিচয় ও প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। দীর্ঘদিনের সম্পর্কের সূত্র ধরে তাঁকে বিয়ে করতে বাংলাদেশে এসেছেন। ইসলাম ধর্ম গ্রহণের পর নিজের নাম রেখেছেন আব্দুল্লাহ। আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই ছামিয়াকে বিয়ে করেছেন বলেও জানান তিনি।

ওসমানীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মোস্তফা জানান, নিরাপত্তাজনিত কারণে চীনা নাগরিককে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল। পরে ধর্মান্তর ও বিয়ের প্রমাণপত্র দেখে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের জিম্মায় তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

এসএ/সিলেট