বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সমন্বয় সভায় সিসিক প্রশাসক

মেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পরিধি আরও বাড়ানো হবে

post-title

ছবি সংগৃহীত

নগরবাসীর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে সিলেট মহানগরী ও নগরের বাইরে মেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পরিধি আরও সম্প্রসারিত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে নগরভবনের কনফারেন্স হলে আয়োজিত এক সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকারের সভাপতিত্বে সভায় প্রশাসক বলেন, সাধারণ বর্জ্যের মতো মেডিকেল বর্জ্য অপসারণ করা সম্ভব নয়। এটি সঠিকভাবে নিষ্কাশন করা না হলে জনস্বাস্থ্যে মারাত্মক ঝুঁকি ও রোগবালাই তৈরি হয়। সিসিক ও প্রিজম বাংলাদেশ যৌথভাবে দীর্ঘদিন ধরে লালমাটিয়া প্ল্যান্টে বৈজ্ঞানিক উপায়ে এ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পরিচালনা করে আসছে। এই কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে সিসিকের পক্ষ থেকে প্রিজম বাংলাদেশকে নতুন জমি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এবং নগরীর সীমানা ছাড়িয়ে বাইরেও সেবা সম্প্রসারণে সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হবে।

সভায় জানানো হয়, লালমাটিয়া প্ল্যান্টে সংগৃহীত চিকিৎসা বর্জ্য থেকে শুকনো ও ভেজা অংশ পৃথকীকরণ, শুকনো বর্জ্য দাহকরণ, পুনর্ব্যবহারযোগ্য দ্রব্যাদি জীবাণুমুক্তকরণ এবং ধারালো বস্তু ও শারীরিক টিস্যু গভীর কূপে প্রক্রিয়াজাত করা হয়।

সিসিকের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মোহাম্মদ একলিম আবদীনের সঞ্চালনায় সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিলেট প্রেসক্লাবের সভাপতি মুকতাবিস-উন্ নূর, সিসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম, প্রিজম বাংলাদেশের কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধিরা।

এসএ/সিলেট