প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর শিক্ষা ও...
রোটারি ডিস্ট্রিক্ট ৬৫, কো-অর্ডিনেটর সিলেট রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির সেক্রেটারী মাহবুবুল হক চৌধুরী বলেছেন, তীব্র দাবদাহে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের মনোযোগ...
সিলেট প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন
ছবি সংগৃহীত
গোয়াইনঘাট উপজেলার নয়াপাড়া (বীরমঙ্গল) গ্রামের দিলারা বেগম (৫৪) হত্যা মামলায় একই গ্রামের প্রবাসফেরত যুবক হারুন রশিদকে পরিকল্পিতভাবে ফাঁসানো হয়েছে বলে দাবি করেছেন তার ভাই হাফিজ মো. সুলেমান আহমদ।
তিনি অভিযোগ করেন, প্রকৃত ঘটনা আড়াল করে তার ভাইকে মামলার প্রধান আসামি করা হয়েছে এবং নিরপেক্ষ তদন্ত হলে প্রকৃত রহস্য উদঘাটিত হবে।
রোববার (২ আগস্ট) সিলেট প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব দাবি করেন হাফিজ মো. সুলেমান আহমদ। তিনি নয়াপাড়া (বীরমঙ্গল) গ্রামের তাজ উদ্দিনের ছেলে।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, গত ১৫ মে দিবাগত রাতে দিলারা বেগম নিহত হওয়ার ঘটনায় তার পুত্রবধূ সাজনা বেগম বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় কয়েকজন দুর্বৃত্ত কিশোরী মেয়েকে অপহরণ ও ধর্ষণের চেষ্টা চালালে বাধা দিতে গিয়ে দিলারা বেগম নিহত হন বলে উল্লেখ করা হয়। ওই মামলায় হারুন রশিদকে প্রধান আসামি করা হয়। পরে র্যাব তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করলে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। বর্তমানে তিনি কারাগারেই রয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে হাফিজ মো. সুলেমান আহমদ দাবি করেন, ঘটনার রাতে তার ভাই নিজ বাড়িতে মায়ের কক্ষে ঘুমিয়ে ছিলেন। খবর পেয়ে অন্যদের মতো ঘটনাস্থলে গিয়ে সমবেদনা জানান। তিনি বলেন, হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকলে তার ভাই ঘটনাস্থলে যেতেন না কিংবা এলাকায় অবস্থান করতেন না।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, নিহতের পুত্রবধূ সাজনা বেগম ও স্থানীয় ব্যবসায়ী হিরা লালের মধ্যে অনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা রয়েছে। এ সম্পর্কের বিরোধিতা করতেন দিলারা বেগম। এ কারণে তাদের মধ্যে প্রায়ই পারিবারিক বিরোধ হতো। তার দাবি, ওই সম্পর্কের জেরেই দিলারা বেগম হত্যার শিকার হয়েছেন এবং পরে ঘটনাটি ভিন্ন খাতে নিতে তার ভাইকে মামলায় জড়ানো হয়েছে।
লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, ঘটনার রাতে হিরা লালের দোকান গভীর রাত পর্যন্ত খোলা ছিল বলে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা রয়েছে। এছাড়া সাজনা বেগমের হাতে কামড়ের একটি জখম রয়েছে বলে দাবি করে তিনি বলেন, ওই ক্ষতস্থানের ডিএনএ পরীক্ষা করা হলে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে সহায়ক হবে। একই সঙ্গে হিরা লাল ও সাজনা বেগমকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের দাবি জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, ঘটনার দিন দুপুর পর্যন্ত সাজনা বেগম হারুন রশিদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ করেননি। পরে গ্রামের কয়েকজন ব্যক্তির সঙ্গে বৈঠকের পর তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হারুন রশিদকে দায়ী করেন এবং পরবর্তীতে মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় আলকাছ মিয়া, আফসার মিয়া ও কবির ওরফে বন কবিরের নামও উল্লেখ করে তাদের ভূমিকা তদন্তের দাবি জানান সুলেমান আহমদ ।
এছাড়া নিহতের মরদেহের ময়নাতদন্ত হয়নি বলে লোকমুখে শুনেছেন উল্লেখ করে বিষয়টি সত্য হলে কবর থেকে মরদেহ উত্তোলন করে ময়নাতদন্তেরও দাবি জানান তিনি।
লিখিত বক্তব্যে হাফিজ মো. সুলেমান আহমদ আরও দাবি করেন, সাজনা বেগম এর আগেও বিভিন্ন ব্যক্তির বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন ও যৌন হয়রানির অভিযোগে একাধিক মামলা করেছেন। তার ভাষ্য, গ্রামের সমালোচিত মুরুব্বি আলকাছ মিয়া ও তার চাচাশ্বশুর মকবুল মিয়াসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে দায়ের করা এমন অন্তত ৪-৫টি মামলার বাদী তিনি।
হাফিজ মো. সুলেমান আহমদ বলেন, তার ভাই একটি গভীর ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছেন। তিনি বর্তমান সরকার, আদালত ও পুলিশ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং নির্দোষ ব্যক্তিকে মুক্তি দেওয়ার দাবি জানান।
এসএ/সিলেট
রোটারি ডিস্ট্রিক্ট ৬৫, কো-অর্ডিনেটর সিলেট রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির সেক্রেটারী মাহবুবুল হক চৌধুরী বলেছেন, তীব্র দাবদাহে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের মনোযোগ...
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ৪নং ওয়ার্ডের মনিপুরী পাড়া খেলার মাঠ সংস্কার করে বৃহত্তর আম্বরখানা এলাকার শিশু-কিশোর ও যুবকদের জন্য উন্মুক্ত করার দাবিতে সচেতন...
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে বিয়ের অনুষ্ঠানে নাচের কথা বলে ডেকে এনে দুই নৃত্য শিল্পীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় প্রধান আসামি মুজাহিদ ওরফে রাকিবকে গ্রেপ্তার করেছে...
দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬-এর অংশ হিসেবে সিলেট মহানগর বিএনপির উদ্যোগে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক পরিছন্নতা কর্মসূচি...
বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি সিলেট জেলার মহাসচিব ও জেলা ব্যবসায়ী ঐক্য কল্যাণ পরিষদের সভাপতি আব্দুর রহমান রিপন বলেছেন, ব্যবসায়ীদের পেশাগত অধিকার রক্ষা এবং...