টরন্টোতে লতিফ ট্রাভেলসের ‘হজ্ব ২০২৭’...
শাহজাহান সেলিম বুলবুল, বিশেষ প্রতিনিধি, টরন্টো: কানাডার টরন্টোতে ঐতিহ্যবাহী ভ্রমণ সংস্থা ‘লতিফ ট্রাভেলস’-এর উদ্যোগে ‘হজ্ব ২০২৭’ ক্যাম্পেইন উদ্বোধন...
এলাকায় শোকের ছায়া
ছবি সংগৃহীত
মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতারে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৫ বাংলাদেশী প্রবাসীসহ ৬ জন। নিহতদের মধ্যে ৫ জন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ী এলাকার বাসিন্দা।
রোববার বাংলাদেশ সময় সকাল ১০টায় কাতারের রাজধানী দোহা থেকে আল-শাহানিয়া শহরে কাজের উদ্দেশ্যে যাওয়ার পথে প্রাইভেট ট্যাক্সি গাড়ী নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনায় কবলিত হয়ে ঘটনাস্থলে চালকসহ কানাইঘাটের ৫ কাতার প্রবাসীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়। মর্মান্তিক এ প্রাণহানির ঘটনায় কাতার প্রবাসী বাংলাদেশীদের মধ্যে এবং নিহতদের এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। নিহতদের পরিবারের সদস্যদের কান্নায় এলাকার বাতাস ভারি হয়ে উঠেছে।
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতরা হলেন, কানাইঘাট উপজেলার ঝিঙ্গাবাড়ি ইউনিয়নের আমরপুর গ্রামের মৃত আব্দুন নুরের পুত্র জিবাল আহমদ (৩৫), মাঝতালুক গ্রামের সিরাজ উদ্দিনের পুত্র জসিম উদ্দিন (৩৮), আগতালুক গ্রামের সেলিম আহমদের পুত্র মস্তাক আহমদ (২৭), একই গ্রামের মড়া মিয়ার পুত্র জুবের আহমদ (২৮) এবং দক্ষিণ বাণীগ্রাম ইউনিয়নের নিজ গাছবাড়ি গ্রামের বাহার উদ্দিনের পুত্র কাদির আহমদ (৩৩)। নিহতদের মধ্যে জসিম উদ্দিন বিবাহিত, অপর ৪ জন অবিবাহিত বলে জানা গেছে।
নিহতদের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ৫ প্রবাসী জীবিকার তাগিদে দীর্ঘদিন ধরে মধ্যপ্রাচ্যের কাতারে বসবাস করে আসছেন। প্রতিদিনের মত রোববার বাংলাদেশ সময় সকাল ১০টায় কাজের উদ্দেশ্যে কাতারের দোহা থেকে একটি প্রাইভেট গাড়ি যোগে আল-শাহানিয়া শহরের যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে আল শাহানিয়া শহরের সামাল এলাকায় পৌঁছালে গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মূল সড়ক থেকে দুমড়েমুচড়ে ছিটকে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই গাড়ি চালকসহ ওই ৫ বাংলাদেশী নিহত হন। তবে গাড়ির চালক ভারতীয় হওয়ায় তার পরিচয় জানা যায়নি। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় মরদেহগুলো উদ্ধার করে কাতারস্থ একটি হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
নিহত কাদির আহমদের পিতা বাহার উদ্দিন জানিয়েছেন, ৪ বছর পূর্বে তার ছেলে পরিবারের স্বচ্ছলতা ফিরাতে কাতারে পাড়ি দিয়েছিলেন। আগামী মাসে কাদিরের দেশে ফেরার কথা ছিল। কাদির আহমদসহ অপর ৪জন দরিদ্র পরিবারের সন্তান। তারা কাতারের একটি মাজরায় কাজ করত।
নিহত জসিম উদ্দিনের স্ত্রী শাহিনা বেগম জানান, ৩ বছর পূর্বে তার স্বামীর জীবিকার তাগিদে কাতার যান। পরিবার তার আয়-রোজগারের উপর নির্ভরশীল ছিল। স্বামী মারা যাওয়ায় দুই শিশু সন্তান নিয়ে এখন তিনি কিভাবে জীবন যাপন করবেন বলে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। এদিকে, নিহতদের লাশ সরকারী খরচে দেশে ফিরিয়ে আনাসহ সরকারের পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করার জন্য নিহতদের স্বজনরা বাংলাদেশ সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছেন।
এসএ/সিলেট
শাহজাহান সেলিম বুলবুল, বিশেষ প্রতিনিধি, টরন্টো: কানাডার টরন্টোতে ঐতিহ্যবাহী ভ্রমণ সংস্থা ‘লতিফ ট্রাভেলস’-এর উদ্যোগে ‘হজ্ব ২০২৭’ ক্যাম্পেইন উদ্বোধন...
কুয়েতস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের আয়োজনে যথাযোগ্য মর্যাদা ও গভীর শ্রদ্ধায় জুলাই শহীদ দিবস-২০২৬ পালিত হয়েছে । কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল...
শিশুকে বাঁচাতে গিয়ে যুক্তরাজ্যের সাগরে ডুবে মর্মান্তিকভাবে প্রাণ হারিয়েছেন সিলেটি বংশোদ্ভূত এক ব্রিটিশ-বাংলাদেশি নারী ও তার ১৫ বছর বয়সী কিশোরী কন্যা।...
কুয়েত প্রবাসী বাংলাদেশি গৃহকর্মী আমিনা খাতুন কর্মস্থলে নির্যাতনের শিকার হচ্ছিলেন। ৩০ জুন রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে কুয়েতস্থ বাংলাদেশ...
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের অলাইয়া এলাকার একটি নির্মাণাধীন ভবনের অসাবধানতাবশত: লিফটের ফাঁকা জায়গা দিয়ে নিচে পড়ে সিলেটের ২ যুবকের তাদের মৃত্যু হয়েছে।...