শুধু পদ্মা ব্যারাজ নয়, তিস্তা...
বর্তমান সরকার শুধু পদ্মা ব্যারাজ নয়, তিস্তা ব্যারাজ প্রকল্পও হাতে নেবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (২০ মে) বিকেলে গাজীপুরে জাতীয়...
ছবি সংগৃহীত
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, পহেলা বৈশাখ আমাদের জাতিসত্তা, ইতিহাস, সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের এক অনন্য প্রতীক। নতুন বছরের আগমন পুরোনো জীর্ণতা ও গ্লানি পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা জোগায়।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) পহেলা বৈশাখ ও বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি দেশবাসীসহ বিশ্বের সব বাংলাভাষী মানুষকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। একই সঙ্গে বাংলা ১৪৩২ সালকে বিদায় জানিয়ে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩-কে স্বাগত জানান প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, পহেলা বৈশাখের সঙ্গে এ অঞ্চলের কৃষি, প্রকৃতি এবং কৃষিভিত্তিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড়। তথ্যপ্রযুক্তির এই আধুনিক সময়েও প্রকৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কৃষক তার ফসল উৎপাদনের সময় নির্ধারণ করেন। বাংলার হাজার বছরের ঐতিহ্য, লোকজ সংস্কৃতি, কৃষ্টি ও মূল্যবোধের ধারাবাহিকতা পহেলা বৈশাখের মধ্য দিয়ে নতুন করে উজ্জীবিত হয়।
তিনি আরও বলেন, বৈশাখী মেলা, শোভাযাত্রা ও হালখাতার মতো ঐতিহ্যবাহী আয়োজন আমাদের সংস্কৃতির বহুমাত্রিক সৌন্দর্যকে তুলে ধরে এবং জাতীয় ঐক্যবোধকে আরও শক্তিশালী করে। বাংলা নববর্ষ নতুন প্রত্যাশা ও সম্ভাবনার বার্তা নিয়ে আসে। প্রকৃতির নবজাগরণ ও মানুষের অন্তরের আশাবাদ মিলেমিশে সৃষ্টি করে উৎসবমুখর পরিবেশ।
বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকের শোষণ-শাসনের অবসানের পর গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন গণতান্ত্রিক সরকারের যাত্রা শুরু হয়েছে। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই রাষ্ট্র ও সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের জীবনমান উন্নয়নে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে।
তিনি জানান, নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে সরকার ইতোমধ্যে ফ্যামিলি কার্ড, ক্রীড়া কার্ড, খাল খনন কর্মসূচি এবং ইমাম, মুয়াজ্জিন, খতিবসহ অন্যান্য ধর্মের ধর্মগুরুদের জন্য আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি চালু করেছে। কৃষক, কৃষি ও কৃষি অর্থনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন থেকেই শুরু হচ্ছে কৃষক কার্ড প্রদান কর্মসূচি।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আশা প্রকাশ করে বলেন, বাংলাদেশের মানুষের ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ, সহনশীলতা, উদারতা ও সম্প্রীতির চর্চা গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করবে এবং বহুমতের সহাবস্থানকে সুদৃঢ় করবে।
বিশ্ব যখন নানা সংকট ও সংঘাতে বিপর্যস্ত, তখন শান্তি, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের চর্চা আরও জরুরি হয়ে উঠেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নববর্ষের এই শুভক্ষণে আমরা যেন সংকীর্ণতা ও স্বার্থপরতার ঊর্ধ্বে উঠে মানবকল্যাণের পথ অনুসরণ করি-এই হোক আমাদের অঙ্গীকার।
তিনি বলেন, নতুন বছরের প্রথম প্রভাতে অতীতের সব হতাশা ও সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে নতুন উদ্যমে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করতে হবে। নববর্ষ সবার জীবনে বয়ে আনুক সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি।
এসএ/সিলেট
বর্তমান সরকার শুধু পদ্মা ব্যারাজ নয়, তিস্তা ব্যারাজ প্রকল্পও হাতে নেবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (২০ মে) বিকেলে গাজীপুরে জাতীয়...
সিলেট-৫ আসনের সংসদ সদস্য মুফতি মোহাম্মদ আবুল হাসান নির্বাচনী এলাকা কানাইঘাট ও জকিগঞ্জের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং মাদক-চোরাচালান বৃদ্ধির বিষয়ে...
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, একটি ন্যায়ভিত্তিক ও আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতে স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক এবং জনবান্ধব ভূমি ব্যবস্থাপনার বিকল্প...
বাংলাদেশে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে চায় সিঙ্গাপুর। মঙ্গলবার সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের অফিস কক্ষে সিঙ্গাপুরের অনাবাসিক...
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি) অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বজায় রাখা, অবকাঠামো শক্তিশালীকরণ, সামাজিক সুরক্ষা বৃদ্ধি এবং জলবায়ু-সহনশীল উন্নয়ন...