টরন্টোতে বাংলাদেশ কনস্যুলেটে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত

post-title

ছবি সংগৃহীত

শাহজাহান সেলিম বুলবুল, টরন্টো (কানাডা): কানাডার টরন্টোতে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলে যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত হয়েছে।

এ উপলক্ষে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, আলোচনা সভা, প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী ও বিশেষ দোয়া-মোনাজাতের আয়োজন করা হয়।

শনিবার (৭ নভেম্বর) সকালে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়। কনস্যুলেটের মূল প্রতিপাদ্য ছিল-‘ঐতিহাসিক ৭ই নভেম্বর: মুক্তি ও প্রগতির স্বর্ণালী দিন’। বেলা ১১টায় কনস্যুলেট কার্যালয়ে বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে সভার কার্যক্রম শুরু হয়।

অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির বাণী পাঠ করেন কনসাল জেনারেল মো. শাহ আলম খোকন এবং প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন ডেপুটি কনসাল জেনারেল বিধোষ বর্মন। পরে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক পটভূমি, সিপাহী-জনতার ঐক্য এবং দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

এরপর কনস্যুলেটের কর্মকর্তা ও প্রবাসী বাংলাদেশি নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহণে উন্মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য দেন কানাডা পশ্চিম বিএনপির সভাপতি আহাদ খন্দকার, সিনিয়র সহসভাপতি মাহবুবুর রব চৌধুরী, সহসভাপতি এজাজ আহমদ চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব চৌধুরী রনি ও রিমন ইসলাম, বিএনপি নেতা শহিদুর রহমান, অন্টারিও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ইমন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী আবু জহির সাকিব, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাঈম চৌধুরী এবং প্রচার সম্পাদক বেলাল আহমদ চৌধুরী।

এ ছাড়া টরন্টো সিটি বিএনপির সভাপতি মঈন চৌধুরী, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সাকিব হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক নাহিদ আহমদ, মহিলা দলের সভাপতি নাজমা হক, কানাডা পশ্চিম যুবদল নেতা সুহেলুজ্জামান সুহেল ও জালাল হাওলাদার, সাংবাদিক আরিফ আহমদ, দীন ইসলাম ও আব্দুল বাতিন ফয়সল এবং রোটারিয়ান শাহজাহান সেলিম বুলবুলসহ স্থানীয় প্রবাসী নেতারা বক্তব্য দেন।

আলোচনায় বক্তারা ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরকে বাংলাদেশের ইতিহাসে জাতীয় স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করেন। তাঁদের মতে, ওই দিনের সিপাহী-জনতার ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা দেশকে গভীর সংকট থেকে রক্ষা করেছিল। দিবসের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে প্রবাসেও দেশের স্বাধীনতা রক্ষা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সুসংহত রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তাঁরা।

অনুষ্ঠানের শেষপর্বে দেশ ও জাতির শান্তি, প্রগতি ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং ৭ নভেম্বরের বীর শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। এতে কনস্যুলেটের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি উপস্থিত ছিলেন।

এসএ/সিলেট