হানিফ উপজেলার নরসিংপুর ইউনিয়নের হাবিবনগর গ্রামের রাশিদ আলীর ছেলে।

দোয়ারাবাজারে হত্যা চেষ্টায় মারধরের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার

post-title

সংগৃহীত

দোয়ারাবাজার (সুনামগঞ্জ): সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে এক যুবককে হত্যার উদ্দেশ্যে মারধর করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় হানিফ মিয়া  (৩০) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ।


 তিনি উপজেলার নরসিংপুর ইউনিয়নের হাবিবনগর গ্রামের রাশিদ আলীর ছেলে।

শুক্রবার রাতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে।


এর আগে গত রোববার (১৬ আগস্ট) উপজেলার নরসিংপুর ইউনিয়নের পূর্ব সোনাপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। 



পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা যায়, পূর্ব সোনাপুর গ্রামের মৃত সিরাজুল ইসলামের ছেলে ফারহান আহমেদের পৈতৃক চেলা নদীর তীরবর্তী জমি নিয়ে হানিফ মিয়া'র সঙ্গে পূর্ববিরোধ চলছিল। এ ঘটনার জেরে ফারহান আহমেদের ওপর প্রতিশোধ নিতে বিভিন্ন সময় হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছিলেন হানিফ মিয়াসহ মামলায় অভিযুক্তরা।


ঘটনার দিন বিকেলে ফারহান আহমেদ ইসলামী কনটেন্ট তৈরির ভিডিও ধারণের কাজ করছিলেন। বিকেল ৪টার দিকে তাকে বাড়িতে একা পাওয়ার সংবাদে হানিফ আলীসহ মামলায় অভিযুক্ত ৪-৫ জন পূর্ব সোনাপুর গ্রামে ফারহান আহমেদের ওপর হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা চালান।

এ সময় হানিফ মিয়া, আকির হোসেন, হাকিম মিয়া, উজ্জ্বল আহমদ, উছমান মিয়া, ইলিয়াস আলীসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজন ফারহান আহমেদকে দা, ছুরি, লোহার রড ও লোহার পাইপ দিয়ে আঘাত করে গুরুতর জখম করেন।


মারধরের একপর্যায়ে তার সঙ্গে থাকা নগদ অর্থ, ভিডিও তৈরির কাজে ব্যবহৃত ক্যামেরা, একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোনসহ মোট ১ লাখ ৯২ হাজার টাকার বিভিন্ন পণ্য জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেওয়া হয়।


পরে তার চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এবং ভিডিও তৈরির কাজে নিয়োজিত তার সঙ্গীরা এসে তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য দোয়ারাবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।


 সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।


বিষয়টি নিশ্চিত করে দোয়ারাবাজার থানার ওসি তরিকুল ইসলাম তালুকদার বলেন, এ ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।

টিএ/ছাতক