কুলাউড়ায় রাস্তায় বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণ করে প্রতিবন্ধকতা : প্রতিবাদে মানববন্ধন

post-title

ছবি সংগৃহীত

 মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার ভূকশিমইল ইউনিয়নে ব্যাংক কর্মকর্তা আব্দুস সালাম (ছলিম) এর বিরুদ্ধে যাতায়াতের রাস্তার জমি দখল করে বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণ করে জনচলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিসহ সাধারণ মানুষকে মামলা দিয়ে হয়রানি করার অভিযোগ উঠেছে।

রাস্তা প্রশ^স্তকরণ করাসহ ও প্রভাবশালী ব্যক্তি কর্তৃক মামলা দিয়ে হয়রানি করার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।

বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে ভূকশিমইল ইউনিয়নের পশ্চিম মীরশংকর এলাকায় আয়োজিত মানববন্ধনে একাত্মতা পোষণ করে বক্তব্য দেন স্থানীয় বাসিন্দা রুস্তুম মিয়া, আকুল মিয়া, রাফেল আহমেদ, ছমরু মিয়া, হাসান আহমেদ, হাবিব মিয়া, মো. শাকিল, মখলিছ মিয়া, ফয়জুল মিয়া প্রমুখ।

মানববন্ধনে ক্ষোভ প্রকাশ করে বক্তারা বলেন, ভূকশিমইল ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মীরশংকর গ্রামের প্রধান পাকা সড়ক থেকে পশ্চিম মীরশংকর ভায়া হাকালুকি হাওরমুখী ১২ফুট প্রস্থের রাস্তাটি স্থানীয়দের যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম। ওই রাস্তার পাশে কিছু জমির মালিক স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি ব্যাংক কর্মকর্তা আব্দুস সালাম (ছলিম) রাস্তার জমি দখল করে বাউন্ডারী ওয়াল করার কারণে রাস্তায় জনসাধারণ ও যানবাহন চলাচলে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছে।

১২ ফুটের রাস্তাটি এখন ৩-৪ ফুটে পরিণত হয়েছে। রাস্তার প্রশস্ত কমে যাওয়ার ফলে রাস্তায় কর্দমাক্ত হয়ে যানবাহনসহ সর্বসাধারণের চলাচল বন্ধ রয়েছে। বিকল্প সড়ক ব্যবহার করে শিক্ষার্থীসহ এলাকার লোকজন বর্তমানে চলাচল করছেন। এতে সময় ব্যয় হচ্ছে স্থানীয়দের। বিষয়টি একাধিকবার স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও প্রশাসনকে অবহিত করা হলেও কোন সুরাহা হয়নি। তারা আরো বলেন, হাকালুকি হাওর তীরবর্তী মীরশংকর গ্রামের বেশিরভাগ লোক মৎস্যজীবি ও কৃষি পেশায় জড়িত। রাস্তা নিয়ে প্রতিবাদ করলে সাধারণ লোকদের মামলা দিয়ে হয়রানি করার ভয় দেখানো হয়।

ভূকশিমইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান মনির বলেন, রাস্তার ওপর বাউন্ডারি ওয়াল তৈরি করার কারণে মানুষের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছে এটা সঠিক। সরকারী সার্ভেয়ার নিয়ে জমি পরিমাপ করার কথা ছিল। কিন্তু অভিযুক্ত ব্যক্তি সেটা না করে আদালতে গিয়ে বিরোধপূর্ণ জমির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন। বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চলছে।

এ বিষয়ে আব্দুস সালাম ছলিম বলেন, রাস্তার জমিটি আমার ব্যক্তি মালিকানাধীন। ওই রাস্তায় সর্বসাধারণের চলাচলে আমার কোন আপত্তি নেই। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে আমার রেকর্ডীয় জমির সীমায় বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণ করেছি। এই রাস্তার বিপরীত পাশে আরমান মিয়া গং অনেক জায়গা দখল করেছেন। তারা জমি ছেড়ে দিলে আমিও জমি ছাড়তে রাজি আছি। বিষয়টি নিয়ে আদালতে  মামলা চলমান আছে।  


এসএ/সিলেট