দাউদপুরের চৌধুরী পরিবার দেশের আলোকিত...
বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী বলেছেন, দক্ষিণ সুরমার দাউদপুরের চৌধুরী পরিবার সিলেটের একটি সম্ভ্রান্ত আলোকিত...
ছবি সংগৃহীত
মহানগরীতে সাম্প্রতিক সময়ে ছিনতাইয়ের ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় উদ্বেগের মধ্যে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-৯ এর পৃথক অভিযানে সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী চক্রের ১০ জন সক্রিয় সদস্যকে আটক করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে দেশীয় অস্ত্র ও ছিনতাইকৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
শনিবার (২ মে) বিকেলে সিলেট জেলা স্টেডিয়াম এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় ছিনতাইয়ের প্রস্তুতিকালে পাঁচজনকে হাতেনাতে আটক করা হয়। একইদিন সন্ধ্যায় আম্বরখানা এলাকায় একটি আবাসিক হোটেলের কক্ষে অভিযান চালিয়ে আরও পাঁচজনকে আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলেন- নারায়নগঞ্জ জেলার নন্দীপাঁড়ার মো. রুহুল আমীনের ছেলে মো. রনি, একই জেলার নন্দীপাঁড়া, মো. সিরাজের ছেলে মো. রাসেল, চন্দীতলা কবরস্থানপট্টি মো. রতন বেপারীর ছেলে শাহাজালাল বেপারী, নন্দীপাঁড়ার ওমর আলীর ছেলে আবু বকর, নন্দীপাঁড়ার বাচ্চু ভূইয়ার ছেলে মো, জিহাদ হোসেন, নন্দীপাঁড়া (দেবক আখড়া) জামাল হোসেনের ছেলে মো. সিয়াম হোসেন, কাশিপুরের মৃত রহমান আলী ছেলে মো. নুর ইসলাম, দেওভোগ ভূইয়ারবাগের মো. মুকুল কাজীর ছেলে মো. নাজমুল ইসলাম, হবিগঞ্জ জেলার মারুরারচকের মৃত আনোয়ার হোসেনের ছেলে মো. অপু, মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জে আদখানির মৃত আ: রহমানের ছেলে মো. আজিজুর রহমান।
র্যাব-৯ জানায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী সময়ে সিলেটে অবৈধ অস্ত্র ও মাদকবিরোধী অভিযানে তারা উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। এ সময়ে বিভিন্ন অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্র, বিস্ফোরক, বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য এবং কোটি টাকার চোরাচালানি পণ্য উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি হত্যা, ধর্ষণ, ডাকাতি ও মানবপাচারসহ বিভিন্ন মামলার দুই শতাধিক আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। সাম্প্রতিক ছিনতাইয়ের ঘটনায় নগরবাসীর মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে এবং প্রধানমন্ত্রীর সিলেট সফরকে কেন্দ্র করে জনসমাগম বাড়ার প্রেক্ষাপটে র্যাব গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল জোরদার করে। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২ মে বিকেলে কোতোয়ালী থানাধীন সিলেট জেলা স্টেডিয়াম এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় ছিনতাইয়ের প্রস্তুতিকালে পাঁচজনকে হাতেনাতে আটক করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা জানায়, বড় জনসমাগমের সুযোগে সাধারণ মানুষের অসাবধানতার সুযোগ নিয়ে ছিনতাইয়ের পরিকল্পনা ছিল তাদের। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একইদিন সন্ধ্যায় আম্বরখানা এলাকায় একটি আবাসিক হোটেলের কক্ষে অভিযান চালিয়ে আরও পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়। সেখান থেকে ছিনতাই কাজে ব্যবহৃত ধারালো অস্ত্র ও ছিনতাইকৃত দুটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
র্যাব জানায়, আটককৃতদের অধিকাংশই নারায়ণগঞ্জ জেলার বাসিন্দা এবং তারা একটি সংঘবদ্ধ আন্ত:জেলা ছিনতাইকারী চক্রের সদস্য। পর্যটকের ছদ্মবেশে সিলেটে অবস্থান করে তারা অপরাধ কার্যক্রম পরিচালনা করত বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ ও র্যাবের মিডিয়া অফিসার কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ।
এসএ/সিলেট