মহানগর জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল-সমাবেশ
জামায়াতের কেন্দ্রীয় কমপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগরী আমীর মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বলেছেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় যাওয়ার আগে ওয়াদা করেছিল তারা ক্ষমতায় গেলে ২ বছর...
ছবি সংগৃহীত
সিলেট নগরের আবাসিক এলাকাগুলোর নিরাপত্তায় ১৫টি প্রস্তাবনা দিয়েছেন মহানগর পুলিশ কমিশনার আবাদুল কুদ্দুস চৌধুরী।
রোববার সন্ধ্যায় নগরীর আবাসিক এলাকাসমূহে নিরাপত্তা জোরদার ও অপরাধ প্রতিরোধে সমন্বয় সভায় তিনি এসব এলাকার নেতৃবন্দকে এসব প্রস্তাবনা দেন।
সিলেট মহানগর পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার নগরীর আবাসিক এলাকাসমূহে সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন ও নিরাপত্তা জোরদারের লক্ষ্যে বিভিন্ন আবাসিক এলাকার নেতৃবৃন্দের সাথে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী।
সভায় পুলিশ কমিশনার বলেন, মহানগরীর সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ ও জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পুলিশ ও জনগণ একযোগে কাজ করলেই অপরাধ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হবে এবং সিলেট মহানগরী একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য শহরে পরিণত হবে।
এ সময় তিনি আবাসিক এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় কিছু প্রস্তাবনা তুলে ধরেন এবং অনুষ্ঠানে উপস্থিত নেতৃবৃন্দের প্রতি এসব প্রস্তাবনা বাস্তবায়নের জন্য অনুরোধ করেন।
প্রস্তাবনাগুলো হলো-
প্রত্যেক আবাসিক এলাকায় সর্বোচ্চ ১-২টি নিয়ন্ত্রিত প্রবেশ ও বাহির গেইট রাখতে হবে এবং অতিরিক্ত পথসমূহ সীমিত করতে হবে।
প্রবেশ ও বাহির নিয়ন্ত্রণে পর্যাপ্ত সংখ্যক প্রশিক্ষিত সিকিউরিটি গার্ড নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।
প্রবেশপথে ব্যারিকেড/বাঁশকল স্থাপন করতে হবে।
রাত ১১টার পর বহিরাগতদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে; যথাযথ পরিচয় নিশ্চিত সাপেক্ষে প্রবেশের অনুমতি প্রদান করা যাবে।
আবাসিক এলাকায় বসবাসকারীদের যানবাহনের জন্য পরিচয়পত্র/স্টিকার ব্যবস্থা চালু করতে হবে।
বাউন্ডারি ওয়াল থাকা সত্ত্বেও যেখানে কাঁটাতারের ফেন্সিং নেই, সেখানে বার্বড ওয়্যার স্থাপন করতে হবে।
ডেভেলপার কর্তৃক নির্মিত ভবনসমূহে পর্যাপ্ত কভারেজ নিশ্চিত করে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে।
সকল বাসিন্দার তথ্য সিআইএমএস-এ অন্তর্ভুক্ত করতে হবে এবং ভাড়াটিয়া পরিবর্তনের তথ্য সংশ্লিষ্ট থানাকে অবহিত করতে হবে।
জরুরি সহায়তা প্রাপ্তি ও নিরাপত্তা সেবার জন্য “জিনিয়া” অ্যাপ ব্যবহারে উৎসাহিত করতে হবে।
সন্দেহজনক ব্যক্তি বা যানবাহনের গতিবিধি “জিনিয়া” অ্যাপের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক রিপোর্ট করতে হবে।
বখাটেদের অবস্থান বা কিশোর গ্যাং সংক্রান্ত তথ্য দ্রুত “জিনিয়া” অ্যাপের মাধ্যমে জানাতে হবে এবং এ বিষয়ে সিকিউরিটি গার্ডদের প্রশিক্ষণ দিতে হবে।
প্রয়োজনে আবাসিক এলাকায় কুকুর পালনসহ সামাজিক নিরাপত্তা জোরদারমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে। অন্ধকারাচ্ছন্ন এলাকায় পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
সিকিউরিটি গার্ডদের নির্ধারিত সময়ে ডিউটিরত অবস্থায় লাঠি ও বাঁশি বহন করতে হবে।
এবং যেকোন প্রয়োজনে এসএমপি কন্ট্রোলরুম-০১৩২০-০৬৯৯৯৮ এবং কল সেন্টার- ০১৩৩৯৯১১৭৪২ নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়।
এসএ/সিলেট
জামায়াতের কেন্দ্রীয় কমপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগরী আমীর মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বলেছেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় যাওয়ার আগে ওয়াদা করেছিল তারা ক্ষমতায় গেলে ২ বছর...
সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রতন কুমার অধিকারী শ্রেষ্ঠ উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। প্রশাসনিক ক্ষেত্রে দক্ষ...
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) পৃথক অভিযানে মে মাসে বিভিন্ন অপরাধে ১ হাজার ৬৬৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ছাড়া উদ্ধার করা হয়েছে বিভিন্ন ধরনের...
সিলেটে খুদে ফুটবলার ও অ্যাথলেটদের প্রতিভা বিকাশের লক্ষ্যে শুরু হলো মাসব্যাপী বিশেষ প্রশিক্ষণ ক্যাম্প। ক্রীড়া পরিদপ্তরের বার্ষিক ক্রীড়া কর্মসূচি...
দফায় দফায় জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি, বিদ্যুতের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি, দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি, দেশব্যাপী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ও জনদুর্ভোগ...