খামেনিকে হত্যা, পাকিস্তানে মার্কিন...
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের অতর্কিত হামলায় শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হয়েছেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় মিডিয়া এই তথ্য...
৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা
ছবি সংগৃহীত
আমেরিকা-ইসরায়েলি হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন। রবিবার (১ মার্চ) সকালে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে এ খবর প্রচার করা হয়। খবর বিবিসি ও সিএনএন’র।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইআরআইবি রবিবার সকালে জানায়, ‘ইরানের সর্বোচ্চ নেতা শাহাদাত বরণ করেছেন’।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের এক ঘোষণায় কান্নাবিজড়িত কণ্ঠে উপস্থাপক জানান, দেশজুড়ে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। এ সময় জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা এবং সব ধরনের রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান সীমিত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক বার্তায় দাবি করেছিলেন, সাম্প্রতিক হামলার পর খামেনি নিহত হয়েছেন। পরে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম তা নিশ্চিত করেছে বলে জানানো হয়।
ইরানে ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর দেশটিতে সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার শাসনব্যবস্থা চালু হয়। ওই বিপ্লবের মাধ্যমে তৎকালীন শাসক রেজা শাহ পাহলভী-এর রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে এবং ইসলামি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়
ইসলামি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পর থেকে দেশটি মাত্র দুইজন সুপ্রিম লিডার পেয়েছে, যাদের পদবী ‘আয়াতুল্লাহ’। শিয়া মুসলমানদের কাছে এই উপাধি সিনিয়র ধর্মীয় নেতার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত।
সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি শুধু ধর্মীয় প্রধানই নন, তিনি দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক (কমান্ডার-ইন-চিফ) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছিলেন।
খামেনির মৃত্যুর ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা। পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায়, সে দিকে এখন নজর আন্তর্জাতিক মহলের।
জুয়ে/সিলেট