হবিগঞ্জে চাঁদা নিতে গিয়ে বৈছাআর...
হবিগঞ্জে ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদাবাজির অভিযোগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন (বৈছাআ) হবিগঞ্জ জেলা শাখার যুগ্ম আহবায়ক (বহিস্কৃত) এনামুল হক সাকিবসহ ৩ জনকে আটক...
ছবি সংগৃহীত
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে জায়গা জমি নিয়ে পারিবারিক কলহের জেরে চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে র্য্যাব। গ্রেফতারকৃত সেবু মিয়া হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ থানাধীন নিশাকুড়ি গ্রামের মৃত হানিফ উল্যাহ ছেলে।
র্যাব-৯, সিপিসি-৩ শায়েস্তাগঞ্জ ক্যাম্প, হবিগঞ্জ এবং র্যাব-১১, সিপিসি-২ কুমিল্লার একটি যৌথ আভিযানিক দল সোমবার (৫ জানুয়ারি) রাতে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সেবুকে কুমিল্লার কোতোয়ালি থানাধীন চৌয়ারা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে। পরে মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) নবীগঞ্জ থানা পুলিশ তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে এসব তথ্য নিশ্চিত করে র্যাব। র্যাব জানায়, নিহত আজমল হোসাইন হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ থানাধীন নিশাকুড়ি এলাকার বাসিন্দা। প্রবাসে থাকাকালীন ভিকটিমের ক্রয়কৃত জমিসহ পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত জমিগুলো তাকে না জানিয়ে ভাইয়েরা অন্যত্র বন্ধক দিয়ে নিজেদের মধ্যে টাকা ভাগ বাটোয়ারা করে নেয়।
বিষয়টি ভিকটিম দেশে আসার পর জানতে পেরে নিজের টাকা থেকে তা পরিশোধ করে বন্ধকী জমিগুলো ছাড়িয়ে নিজেই চাষাবাদ শুরু করে। এজন্য বিরোধ দেখা দিলে গত বছরের ২৫ জুন তার দুইভাই ও ভাতিজা মিলে ভিকটিমকে মারধর করলে ভিকটিম আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়ের করার পর থেকে আসামীরা মামলা প্রত্যাহার করার জন্য ভিকটিমকে প্রাণে হত্যার ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আসছিলো।
র্যাব আরও জানায়, এরই প্রেক্ষিতে গত বছরের ৭ নভেম্বর ভিকটিম আজমল হোসাইন জুম্মার নামাজ আদায় করে মসজিদ থেকে বাহির হয়ে মসজিদের গেইটের সামনে রাস্তায় পৌছামাত্রই পূর্ব পরিকল্পিতভাবে হত্যাকারীরা ধারালো চাকু দিয়ে ভিকটিমকে প্রাণে হত্যার উদ্দেশ্যে এলোপাতাড়ি আঘাত করে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে। পরবর্তীতে ভিকটিমকে আশংকাজনক অবস্থায় স্থানীয়রা উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন।
চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১২ নভেম্বর সন্ধ্যায় ভিকটিম মৃত্যুবরণ করেন। এ ঘটনায় ভিকটিমের স্ত্রী নবীগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে র্যাব আসামিদের আইনের আওতায় আনতে র্যাব-৯ এই ঘটনার ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে অভিযান চালায়।
এসএ/সিলেট