ছাতকের চানপুর হাফিজিয়া মাদ্রাসায়...
সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার চরমহল্লা ইউনিয়নে অবস্থিত চানপুর হাফিজিয়া ইসলামিয়া মাদরাসা ও এতিমখানা আবারও সাফল্যের স্বাক্ষর রেখেছে। চলতি বছরে অনুষ্ঠিত...
৮০–৯০ বছর ধরে বৈধভাবে বসবাসের পরও ভয়ভীতি, প্রলোভন ও মিথ্যা মামলার চাপে আতঙ্কে ৭টি হিন্দু পরিবার
ছবি সংগৃহীত
ছাতকে আকিজ প্লাস্টিক কোম্পানির কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে সংখ্যালঘু হিন্দু পরিবারের কোটি টাকার জন্মভিটা দখলের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে নিজ বাড়িতে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য সিবানী রানী চন্দ।
তিনি লিখিত বক্তব্যে বলেন, কুমনা মৌজার ডিসি খতিয়ানের ১৭ শতক জমিতে খাজনা পরিশোধ করে তাদের পরিবার প্রায় ৮০–৯০ বছর ধরে বসবাস করছে। কিন্তু হঠাৎ করেই আকিজ প্লাস্টিক কোম্পানির জিএম মুন্না ও সুহেলের নেতৃত্বে একদল প্রভাবশালী দখলদার তাদের জন্মভিটা দখলের চেষ্টা করছে।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বৈধভাবে বসবাস করা এই ১৭ শতক ভিটে-মাটি হারানোর ভয়ে আতঙ্কে রয়েছে পরিবারের ৭টি পরিবারের প্রায় অর্ধশত মানুষ। দখলদার চক্রটি তার চাচা সন্টু চন্দকে বারবার ডেকে নিয়ে ভয়ভীতি, জমি ছাড়ার জন্য চাপ ও বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়েছে। তিনি এতে রাজি না হওয়ায় চক্রটি আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। এমনকি তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলে পাঠানো ও হত্যা মামলা সাজানোর হুমকিও দেওয়া হয়েছে। এসব হুমকির ভিডিও প্রমাণ পরিবারটির কাছে সংরক্ষিত রয়েছে বলেও তিনি জানান।
সিবানী রানী চন্দ আরও অভিযোগ করে বলেন, গত ২০ নভেম্বর দখলদাররা তাদের বিরুদ্ধে ছাতক থানায় একটি মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগ দায়ের করে। এরপর ২৬ নভেম্বর তার চাচা সন্টু চন্দ থানায় লিখিত অভিযোগ দিলেও কোনো ফল হয়নি। বরং দখলদার চক্র আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে। ফলে যে কোনো সময় জোর করে ঘর ভেঙে দেওয়া বা নতুন করে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছে পরিবারটি।
তিনি বলেন, আমরা হিন্দু সংখ্যালঘু মানুষ। আমাদের আত্মরক্ষার ক্ষমতা নেই। ১৭ শতক ভিটে-মাটিই আমাদের শেষ সম্বল। আজ সেটাই কেড়ে নিতে চাইছে একটি প্রভাবশালী চক্র।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি সাংবাদিকদের মাধ্যমে দখলদারদের এসব অন্যায় কর্মকাণ্ড জাতির সামনে তুলে ধরার অনুরোধ জানান এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনের কাছে পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।
টিএ/ছাতক