তুষারঝড়ে যুক্তরাষ্ট্রের ১৪...
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্য ও পূর্বাঞ্চলজুড়ে আঘাত হানা শক্তিশালী তুষারঝড়ে এ পর্যন্ত ১৪টি অঙ্গরাজ্যে অন্তত ৩৮ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও...
ছবি সংগৃহীত
ইরানজুড়ে দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলা বিক্ষোভে তিন হাজারের বেশি মানুষ মারা গেছেন বলে জানিয়েছেন মানবাধিকার কর্মীরা। শনিবার যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার গোষ্ঠী এইচআরএএনএ বলেছে, তারা ইরানে ৩ হাজার ৯০ জনের মৃত্যুর খবর যাচাই করে নিশ্চিত হতে পেরেছে। এদের মধ্যে ২ হাজার ৮৮৫ জনই বিক্ষোভকারী।
এদিকে ৮ দিন বন্ধ থাকার পর দেশটিতে সীমিত ইন্টারনেট মিলছে বলেও জানিয়েছে তারা। তবে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমগুলোর খবরে আরও অনেককে গ্রেপ্তারের কথা জানানো হয়েছে।
দেশটির বাসিন্দারা বলছেন, গত চারদিন ধরে রাজধানী তুলনামূলক শান্ত রয়েছে। শহরের ওপর দিয়ে ড্রোন উড়ছে ঠিকই কিন্তু তেহরানে কোনো বড় বিক্ষোভের চিহ্ন দেখা যায়নি।
গত ২৮ ডিসেম্বর, রাজধানী তেহরানের কয়েকটি বাজারে অর্থনৈতিক সংকটের জেরে ছোট ছোট বিক্ষোভ থেকে ইরানে বড় বিক্ষোভের শুরু। মূল্যবৃদ্ধি, মুদ্রাস্ফীতি ও রিয়ালের দরপতনে ক্ষুব্ধ দেশটির তরুণ জনগোষ্ঠী ও সাধারণ মানুষ।
গত বৃহস্পতিবার পরিস্থিতির অবনতি হয়। ইরানের নির্বাসিত শেষ শাহ'র ছেলে রেজা পাহলভি সরকারের বিরুদ্ধে জোরালো প্রতিবাদের ডাক দিলে রাস্তা জনসমুদ্রে পরিণত হয়। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে শত শত মানুষের মৃত্যুর খবর আসতে থাকে।
ইরান সরকার এই অস্থিরতা উসকে দেওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে দায়ী করছে। দেশটি বলছে, তথাকথিত সন্ত্রাসীরা এই আন্দোলন দখল করে নিয়েছে।
এর আগে একটি মানবাধিকার সংস্থা ইরানে বিক্ষোভে শত শত মানুষ নিহত এবং হাজার হাজার মানুষকে গ্রেপ্তার হওয়ার কথা জানায়। কয়েক দিন ধরে রাজধানী তেহরানে ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় তথ্য সংগ্রহ কঠিন হয়ে পড়েছে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে।
এসএ/সিলেট