দক্ষিণ সুরমায় প্রতিপক্ষের হামলায় সালিশি ব্যক্তিত্ব নিহত, আহত ১০

post-title

ছবি সংগৃহীত

দক্ষিণ সুরমা উপজেলার তেতলী ইউনিয়নে পূর্ববিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় মো. গেদা মিয়া (৬০) নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১০ জন।

শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের লক্ষিপুর গ্রামে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

নিহত গেদা মিয়া লক্ষিপুর গ্রামের বাসিন্দা ও স্থানীয় সালিশি ব্যক্তিত্ব। আহতদের মধ্যে রয়েছেন আনছার আলী, কাহির মিয়া, বশির মিয়া, তাহমিম আহমদ মুরাদ, রবিন ও বাবুলের স্ত্রীসহ ১০ জন। আহত সবাইকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, মসজিদ ও স্কুল কমিটি নিয়ে গেদা মিয়ার পরিবারের সঙ্গে আলাউদ্দিন ও ইলিয়াসের পক্ষের লোকজনের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এর জের ধরে শুক্রবার সন্ধ্যায় আলাউদ্দিন ও ইলিয়াসের নেতৃত্বে একদল লোক ধারালো অস্ত্র নিয়ে গেদা মিয়া ও বাবুলের বাড়িতে হামলা চালায় বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ সময় নিহত গেদা মিয়ার ছেলে কামালের বাড়িতে লুটপাট চালানো হয়। এতে গেদা মিয়া বাধা দিতে গেলে হামলাকারীরা তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে ১৫ থেকে ২০টি আঘাত করে। এতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয় বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।

এ সময় গ্রামের কয়েকজন বাসিন্দা ও আহত ব্যক্তিরা গেদা মিয়াকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে তাঁদের ওপরও হামলা চালানো হয়। পরে হামলাকারীরা বাবুলের বাড়িতে গিয়ে তাঁর স্ত্রীকে মারধর করে বলে অভিযোগ রয়েছে। এদিকে রবিন মোটরসাইকেলযোগে রাস্তা দিয়ে নিজ বাড়ি নিশ্চিন্তপুরে যাওয়ার পথে তাঁকেও কুপিয়ে জখম করা হয়।

তেতলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ওলিউর রহমান জানান, হামলার খবর পেয়ে তিনি তাৎক্ষণিক পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। পরে আহতদের চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন।

দক্ষিণ সুরমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নিহত ব্যক্তির মরদেহ মর্গে রয়েছে। পূর্বশত্রুতার জের ধরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

এসএ/সিলেট