সিকৃবিতে বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানের...
সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যুৎ সংক্রান্ত চলমান সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি), সিলেটের কর্মকর্তাদের সঙ্গে...
মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তদারকির দায়িত্বে যেসব কর্তৃপক্ষ
সংগৃহীত
দেশের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার মান নিশ্চিত করা, প্রশাসনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সরকারি নীতিমালার বাস্তবায়ন তদারকির জন্য একাধিক সরকারি সংস্থা ও কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করেন। নিয়মিত পরিদর্শনের পাশাপাশি অভিযোগ, অনিয়ম বা বিশেষ প্রয়োজনেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিদর্শন করা হয়।
অনেকেই মনে করেন, শুধু উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বা জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাই স্কুল-কলেজ পরিদর্শন করেন। বাস্তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন দপ্তর, শিক্ষা বোর্ড, স্থানীয় প্রশাসন এবং প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদ—সবাই নিজ নিজ দায়িত্ব ও আইন অনুযায়ী তদারকির ক্ষমতা রাখে।
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিএসএইচই) দেশের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একাডেমিক ও প্রশাসনিক তদারকির প্রধান সরকারি সংস্থা। অধিদপ্তরের আঞ্চলিক পরিচালক, উপপরিচালকসহ দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা নিয়মিত বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন। পাঠদান, শিক্ষার পরিবেশ, প্রশাসনিক কার্যক্রম এবং সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নের বিষয়গুলো এসব পরিদর্শনে গুরুত্ব পায়।
নিরীক্ষা ও তদন্তে ডিআইএর দায়িত্ব
পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর (ডিআইএ) শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আর্থিক ব্যবস্থাপনা, সরকারি অনুদান, এমপিও এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম নিরীক্ষা করে। কোনো অনিয়ম বা অভিযোগ পাওয়া গেলে সংস্থাটি তদন্ত পরিচালনা করতে পারে। প্রয়োজন হলে আকস্মিক পরিদর্শনেরও ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
মাঠপর্যায়ে যাঁরা নিয়মিত তদারকি করেন
জেলা পর্যায়ে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (ডিইও) মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সার্বিক কার্যক্রম তদারকি করেন। অন্যদিকে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ইউএসইও) উপজেলার মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসাগুলো নিয়মিত পরিদর্শন করেন। শিক্ষক-শিক্ষার্থীর উপস্থিতি, পাঠদান, সরকারি নির্দেশনার বাস্তবায়ন এবং শিক্ষা কার্যক্রমের অগ্রগতি তাঁদের তদারকির গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
যে শিক্ষা বোর্ডের অধীনে একটি প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হয়, সেই বোর্ডও বিভিন্ন সময়ে পরিদর্শন করে। বিশেষ করে নতুন বিষয় বা বিভাগ চালুর অনুমোদন, প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি প্রদান বা নবায়ন, অভিযোগ তদন্ত এবং পাবলিক পরীক্ষা পরিচালনার সময় বোর্ডের প্রতিনিধিরা সরেজমিনে প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন।
জেলা প্রশাসক (ডিসি), অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) প্রয়োজন অনুযায়ী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করতে পারেন। সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়ন, প্রশাসনিক শৃঙ্খলা, পরীক্ষা ব্যবস্থাপনা এবং সামগ্রিক পরিবেশ পর্যবেক্ষণে তাঁদের ভূমিকা রয়েছে। অনেক বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রচলিত বিধি অনুযায়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পরিচালনা কমিটির সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন।
সরকারি সংস্থার পাশাপাশি বেসরকারি স্কুলের ম্যানেজিং কমিটি এবং কলেজের গভর্নিং বডিও প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম তদারকি করে। শিক্ষক উপস্থিতি, শিক্ষার পরিবেশ, অবকাঠামো এবং প্রশাসনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে তারা নিয়মিত নজরদারি করে।
শিক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পরিদর্শনের মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করা, সরকারি বিধিমালা যথাযথভাবে বাস্তবায়ন হচ্ছে কি না তা যাচাই করা, প্রশাসনিক জবাবদিহি প্রতিষ্ঠা করা এবং সরকারি অর্থ ও এমপিও সুবিধার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, নিয়মিত তদারকি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বাড়ায়। একই সঙ্গে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের জন্য একটি নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতেও এ ধরনের পরিদর্শন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
একটি বিষয় উল্লেখ করা দরকার—আমি হুবহু প্রথম আলোর ভাষা বা শৈলী অনুকরণ করতে পারি না। তবে তাদের মতো সংযত, তথ্যনির্ভর, সহজপাঠ্য ও পেশাদার সংবাদধর্মী ভাষায় নতুন লেখা তৈরি করতে পারি, যেমনটি উপরে করা হয়েছে।
টিএ/ছাতক
সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যুৎ সংক্রান্ত চলমান সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি), সিলেটের কর্মকর্তাদের সঙ্গে...
সিলেট বোর্ডে এবারের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে গত পাঁচ বছরের মধ্যে সিলেটে পাসের হার সবচেয়ে কম। এই ফলফল বিপর্যয়ের মধ্যেও ৯টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা শতভাগ...
পবিত্র আখেরি চাহার সোম্বা উপলক্ষে বুধবার (১২ আগস্ট) সিলেটসহ দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের...
সোমবার প্রকাশিত হয়েছে মাধ্যমিক সার্টিফিকেট পরীক্ষার (এসএসসি) ফলাফল। এতে সিলেট শিক্ষা বোর্ড থেকে পাস করেছে ৫৮.৩৩ শতাংশ শিক্ষার্থী। যা গত ৫ বছরের মধ্যে সবচেয়ে...
এ বছর শিক্ষাবোর্ডে পাশের হার ৫৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ। অর্থাৎ ফেল করেছেন ৪১ দশমিক ৬৭ শতাংশ। এবার পরীক্ষার ফলাফলে প্রায় অর্ধেকই ফেল করেছেন। তবে বেড়েছে জিপিএ ৫ এর...