মাটির নিচে মজুত ২৪ হাজার...
ময়মনসিংহের ফুলপুরে অবৈধভাবে মজুত করা ২৪ হাজার লিটার জ্বালানি (পেট্রোল ও ডিজেল) জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। শনিবার (২৮ মার্চ) দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে...
ঠাকুরগাঁও জেলা
ছবি সংগৃহীত
ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির বেলাল উদ্দিন প্রধানকে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকাসহ সৈয়দপুর বিমানবন্দর থেকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। বুধবার দুপুরে নিয়মিত তল্লাশির সময় তাকে আটক করা হয়।
বিমানবন্দর সূত্র জানায়, তল্লাশির সময় তাঁর লাগেজে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ নগদ টাকা পাওয়া যায়। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে টাকার বিষয়ে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে না পারায় তাকে আটক করা হয়।
উদ্ধার হওয়া টাকার পরিমাণ নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট কয়েকটি সূত্র প্রাথমিকভাবে টাকার পরিমাণ প্রায় ৬০ লাখ টাকা বলে জানায়। তবে পরে গণনা শেষে ৭৪ লাখ টাকা পাওয়া গেছে বলে জেলা পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ঢাকা টাইমসকে নিশ্চিত করেছেন।
বেলাল উদ্দিন প্রধান দাবি করেছেন, টাকার পরিমাণ ৫০ লাখ টাকার কিছু বেশি। তিনি বলেন, ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক প্রয়োজনে এই টাকা বহন করছিলেন।
আটকের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বেলাল উদ্দিন প্রধান জানিয়েছেন, তিনি গার্মেন্টস ব্যবসার সঙ্গে জড়িত এবং ব্যবসায়িক কাজেই টাকা নিয়ে যাচ্ছিলেন। তার বক্তব্য যাচাই–বাছাই করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। টাকার উৎস ও বহনের উদ্দেশ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নির্বাচনকে সামনে রেখে এই অর্থ ভোটের মাঠে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে বহন করা হচ্ছিল কি না, সে বিষয়টিও তদন্ত করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
জানা গেছে, বেলাল উদ্দিন প্রধানের বাড়ি ঠাকুরগাঁও শহরের হাজীপাড়া এলাকায়। তাঁর বাবার নাম দবিরুল ইসলাম। তিনি সালন্দর ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক।
এদিকে বিমানবন্দর থেকে আটকের পর নিজেকে অসুস্থ দাবি করলে জামায়াত নেতা বেলাল উদ্দিন প্রধানকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। আর ঘটনা সম্পর্কে জানাতে দুপুরে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সেখানে দাবি করা হয়, ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমিরকে অর্ধকোটি টাকাসহ আটকের ঘটনাকে ‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাজানো নাটক’; আমির একজন ব্যবসায়ী।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বেলাল উদ্দিন প্রধান শিক্ষকতার পাশাপাশি ঠাকুরগাঁওয়ের স্থানীয় বাজারে একটি টেইলার্সের দোকানও পরিচালনা করেন। তবে স্থানীয়দের দাবি, এই দোকানটি খুবই ছোট, যেখানে এতো বড় অঙ্কের নগদ লেনদেন হওয়ার সুযোগ নেই। সাধারণত দোকানটিতে নামমাত্র ব্যবসা হয় এবং দৈনিক কয়েক হাজার টাকার লেনদেনই সাধারণ। তার কাছে এতো টাকা উদ্ধারের বিষয়টি আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা উচিত।
জুয়ে/সিলেট