কারামুক্ত সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন...
জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী কারামুক্ত হয়েছেন। রোববার (১২ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে তিনি গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা...
সংগৃহীত
স্থানীয় সূত্র জানায়, সার কারখানার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ ডিলাররা যখন নিয়ম অনুযায়ী তরল অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করতে যাচ্ছেন, তখন স্থানীয় কিছু রাজনৈতিক পরিচয়ধারী ব্যক্তি ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে তাতে বাধা প্রদান করছেন। অভিযোগ উঠছে, স্থানীয় নূরপুর গ্রামের সৈয়দ আহমদ চৌধুরীর পুত্র সাফি আহমদ চৌধুরী ও তার অনুসারীরা ডিলারদের স্বাভাবিক সরবরাহ প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করছেন। এতে নানামুখী সমস্যা ও প্রতিবন্ধকতা তৈরি হচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ডিলার জানান, সার কারখানার মতো রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে স্থানীয় প্রভাবশালীদের হস্তক্ষেপে সাধারণ ডিলাররা শঙ্কিত। তারা দ্রুত এই সমস্যার সমাধান এবং নির্বিঘ্নে অ্যামোনিয়া সরবরাহের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। অন্যথায় সার উৎপাদন ও সরবরাহ চেইন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত সাফি আহমদ চৌধুরীর বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। যার কারণে বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
সার্বিক বিষয় নিয়ে কথা হয় সার কারখানার উপ-মহাব্যবস্থাপক (বাণিজ্যিক) মাহবুবুর রহমানের সাথে। তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে কর্তৃপক্ষ কঠোর অবস্থানে রয়েছে । কোনোভাবেই নিয়মের বাইরে যাবে না। তিনি বলেন, ডিলারদের সাথে আমাদের আনুষ্ঠানিক চুক্তি রয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী তাদের তরল অ্যামোনিয়া প্রদান করতে আমরা বাধ্য। এখানে বাধা প্রদান করে কোনো লাভ হবে না। যদি কারো কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ বা সমস্যা থাকে, তবে তা সংশ্লিষ্ট পরিচালনা পর্ষদের সাথে আলোচনা করতে হবে। কিন্তু সরবরাহ প্রক্রিয়ায় বিঘ্ন ঘটানো গ্রহণযোগ্য নয়।
নিজস্ব প্রতিবেদক