সিলেটে নদ-নদীর পানি কমছে : ৭ লাখ মানুষ পানিবন্দী

post-title

ছবি সংগৃহীত

সিলেটের তিনটি নদীর ৬টি পয়েন্টের পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল তবে মঙ্গলবার বিকাল পর্যন্ত ভারী বৃষ্টি না হওয়ায় নদ নদীর পানি কিছুটা কমেছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের জানিয়েছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর ৫টি পয়েন্টের পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এর মধ্যে সুরমা নদীর পানি কানাইঘাট পয়েন্টে ১১৬ সে.মি. কুশিয়ারার পানি আমলশীদ পয়েন্টে ৮৩ সে.মি, এ নদীর শেওলা, ফেঞ্চুগঞ্জ ও শেরপুর পয়েন্টে পানি ২৪, ৯৭ ও ১৫ সে.মি উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

মঙ্গলবার (২ জুলাই) সকালে সারি ও সারিগোয়ান নদীর পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হলেন সন্ধ্যায় তা কমেছে। কমেছে অন্যান্য পয়েন্টের পানিও। আর রবিবার এগুলোর মধ্যে শুধু কুশিয়ারা নদীর ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে পানি ছিলো বিপৎসীমার উপরে।

সিলেট আবহাওয়া অফিসের তথ্য মতে, সিলেটে গত ২৪ ঘন্টায় (সোমবার সকাল ৬টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৬টা পর্যন্ত) ২৯৮ মি.মি বৃষ্টিপাত হয়েছে। আর মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ১৪ মি.মি. বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। তবে আগামী ৪ দিন ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

জেলা প্রশাসকের তথ্য মতে জেলার ১৩ উপজেলায় ৯৭টি ইউনিয়ন বন্যায় প্লাবিত। ১ হাজার ১৮৪টি গ্রামের ৭ লাখ ১১ হাজার ২২৬ জন মানুষ বন্যায় আক্রান্ত। জেলার ৬৫৩টি আশ্রয় কেন্দ্রে এখন পর্যন্ত ৮ হাজার ৪০৭ জন মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন।

দ্বিতীয় দফা বন্যা শেষ হওয়ার আগেই সোমবার থেকে সিলেটে ধাক্কা দেয় তৃতীয় দফা বন্যা। রবিবার (৩০ জুন) দিনভর সিলেটে থেমে ও উজানে ভারী বৃষ্টির ফলে নতুন করে বন্যা দেখা দিয়েছে।

এসএ/সিলেট