সিলেটে ৬ শতাধিক শিক্ষক, গবেষক ও বিজ্ঞানীর মিলনমেলা ভাঙলো

post-title

ছবি সংগৃহীত

'সম্ভাবনার উন্মোচন ও সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় স্মার্ট কৃষি প্রযুক্তি’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় রিসার্চ সিস্টেম-সাউরেসের উদ্যোগে সিলেটে প্রথম ‘এডভান্সড কৃষি গবেষণা’ শীর্ষক ২দিন ব্যাপি আন্তর্জাতিক সম্মেলন শেষ হলো শুক্রবার বিকেলে।

কৃষি সেক্টরের সকল বিষয়কে অন্তর্ভূক্ত করে প্রথমবারের এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বাংলাদেশ ছাড়াও আমেরিকা, জাপান, ইতালি, অস্ট্রেলিয়া, পাকিস্তান, দক্ষিণ কোরিয়া, ভারত, চায়না ও কেনিয়াসহ বিভিন্ন দেশের ৪৫টি শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের ৬ শতাধিক শিক্ষক, গবেষক ও বিজ্ঞানী অংশগ্রহণ করেন।

সম্মেলনের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান পৃষ্ঠপোষক সিকৃবি ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ডা. মো. জামাল উদ্দিন ভূঞা, বিশেষ অতিথি সিকৃবির সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. মতিয়ার রহমান হাওলাদার, ইউজিসির পরিচালক ড. মো. ফখরুল ইসলাম এবং ভেটেরিনারি, এনিম্যাল ও বায়োমেডিক্যাল সায়েন্সেস অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. ছিদ্দিকুল ইসলাম ও সাউরেস পরিচালক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ছফি উল্লাহ ভূইয়া অংশগ্রহণকারী সেরা ২৬জন বিজ্ঞানী ও গবেষকদের হাতে সনদ তুলে দেন।

দুদিনব্যাপী সম্মেলনে ৮টি সেশনে তিন শতাধিক বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অংশগ্রহণকারীরা। বাসযোগ্য বিশ্ব গড়তে কৃষি গবেষণার বিভিন্ন কৌশল উপস্থাপন করা হয় বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধে।

সাউরেসের অতিরিক্ত  পরিচালক ড.মুহাম্মদ মাহমুদুল ইসলামের সঞ্চালনায় সমাপনি অনুষ্ঠানে প্রধান পৃষ্ঠপোষকের বক্তৃতায় সিকৃবির ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ডা. মো. জামাল উদ্দিন ভূঞা বলেন বিশ্ববিদ্যালয় সমূহকে মান সম্পন্ন শিক্ষার্থী ও গবেষক তৈরী করতে হবে।

তিনি বলেন স্বাধীনতার পর থেকে কৃষি ক্ষেত্রে বাংলাদেশ অসাধারণ উন্নয়ন সাধন করেছে কৃষি বিজ্ঞানিদের কল্যাণে। এসময় তিনি বলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক ও বিজ্ঞানিদের সম্মলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে।

অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা বলেন ১৯৭১ সালে স্বাধীন দেশে ৬টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমে শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হলেও বর্তমানে ৯টি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সহ ৬০টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমে শিক্ষা,গবেষণা ও সম্প্রসারণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

এসএ/সিলেট