ওসমানীনগরে স্কুল ছাত্রীকে যৌন হয়রানী, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

post-title

অভিযুক্ত বিল্লাল আহমদ

ওসমানীনগরে চতুর্থ শ্রেণীর এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানীর অভিযোগে বিল্লাল আহমদকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত বিল্লাল উপজেলার উসমানপুর ইউনিয়নের রাউৎখাই গ্রামের গুনু মিয়ার পুত্র।

মঙ্গলবার দিবাগত রাতে সুমানগঞ্জের ছাতাক উপজেলা থেকে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বুধবার বিকালে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজাতে প্রেরণ করা হয়েছে।

মামলা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার উসমানপুর ইউনিয়নের চতুর্থ শ্রেণীর এক ছাত্রী প্রতিদিন বিদ্যালয়ে আসা যাওয়ার পথে তাকে উত্তাক্ত এবং যৌন হয়রানী করে আসছিলো ইজিবাইক চালক বিল্লাল। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর বাড়ির পাশে একটি দোকানে যায় ওই শিক্ষার্থী। দোকান থেকে বাড়ি ফিরার পথে বিল্লাল ওই ছাত্রীকে তার ইজিবাইকে তুলে শ্লীলতাহানীর চেষ্টা করে।

মেয়েটি ভয়ে চিৎকার দিয়ে ইজিবাইক থেকে পালিয়ে বাড়িতে গিয়ে তার মায়ের কাছে বিষয়টি খুলে বলে। মেয়ের মা শনিবার রাতে তার স্বামীকে অবগত করলে বিষয়টি জানতে রাত ১১টার দিকে টমটম চালক বিল্লালের বাড়িতে যান মেয়ের পিতা।

সেখানে বিল্লালের কাছে এই বিষয়ে জানতে চাইলে বিল্লাল তার ছোট ভাই আলম আহমদ বোন সাজনা বেগম মেয়ের পিতার উপর হামলা চালায়। ঘর থেকে ধারালো দা এনে বিল্লাল কোপ দিলে মেয়ের পিতার ডান হাতের একটি আঙ্গুল কেটে যায় এবং তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বালাগঞ্জ উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করেন।

চিকিৎসা শেষে রোববার সকালে বিল্লাল আহমদসহ তিনজনকে অভিযুক্ত করে ওসমানীনগর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিলে অভিযোগটি আমালে নিয়ে সোমবার রাতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে থানায় মামলা রুজু করে পুলিশ। মামলা নং ১৫।

মামলায় অভিযুক্তরা হলেন- বিল্লাল আহমদ,তার ছোট ভাই আলম আহমদ ও বোন সাজনা বেগম। মামলা দায়েরর পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে বিল্লালকে গ্রেফতার করলেও বাকি অভিযুক্তরা পলাতক রয়েছে।

ওসমানীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশেদুল হক বলেন, মামলা দায়েরর পর বিল্লালকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। বাকিদের গ্রেফতার পুলিশ তৎপর রয়েছে।

এসএ/সিলেট