বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা টেস্ট সিরিজ

চট্টগ্রামে হোয়াইটওয়াশ বাংলাদেশ

post-title

ফাইল ছবি

চট্টগ্রাম টেস্টে চার দিন শেষেই বাংলাদেশের পরাজয় প্রায় নিশ্চিত ছিল। পঞ্চম দিনে দুই ব্যাটার মেহেদি মিরাজ এবং তাইজুল ইসলামের ব্যাটিং সক্ষমতার উপর টাইগারদের যবণিকা অপেক্ষা করছিল। পঞ্চম দিনে ৫০ রান যোগ করেই হোয়াইটওয়াশের মুখোমুখি হলো টাইগাররা।
বুধবার (৩ এপ্রিল) বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার মধ্যকার চট্টগ্রাম টেস্টের পঞ্চম দিনে বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য ছিল ২৪৩ রানের হাতে ছিল ৩ উইকেট। স্বাভাবিকভাবেই জয়ের চেয়ে হার বিলম্বিত করাই লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশের। তবে সেই লক্ষ্য পূরণ হয়নি। ৩১৮ রানে অলআউটের মাধ্যমে শেষ হয় বাংলাদেশের দুঃখ। প্রথম টেস্টের পর দ্বিতীয় টেস্টেও হারে তাই ২-০ ব্যবধানে শেষ হয় টেস্ট সিরিজ। টাইগারদের পক্ষে সর্বোচ্চ ৮১ রান আসে মিরাজের ব্যাট থেকে। লঙ্কানদের পক্ষে লাহিরু কুমারা নেন ৪ উইকেট।
পঞ্চম দিনের শুরুতে দেখে শুনেই খেলতে থাকেন তাইজুল ও মিরাজ। তবে ১৪ রান করেই পার্ট টাইমার কামিন্দু মেন্ডিসকে উইকেট বিলিয়ে আসেন তিনি। তবে এর আগেই টেস্ট ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ ফিফটি পেয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। অষ্টম উইকেটে ৩৮ রান যোগ করে লঙ্কানদের অপেক্ষায় রাখেন মিরাজ-তাইজুল জুটি।
দশম ব্যাটার হিসেবে হাসান মাহমুদও খারাপ খেলেননি। মিরাজকে সঙ্গ দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। তবে লঙ্কানদের নতুন বলে ২৫ বলে ৬ রান করা এই বোলার আউট হন লাহিরু কুমারার বলে। শেষের ব্যাটার খালেদকেও ফিরিয়ে টাইগারদের হোয়াইট ওয়াশ করা নিশ্চিত করেন এই পেসার।
এর আগে লঙ্কানদের দেওয়া ৫১১ রানের বিশাল লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে চতুর্থ দিনে চলতি সিরিজে প্রথম ২০০ রান পার করে বাংলাদেশ। মুমিনুল হকের ৫০ রানের পাশাপাশি সাকিব আল হাসানের ৩৬, লিটন দাসের ৩৮ রান বাংলাদেশকে দিয়েছিল লজ্জা এড়োনোর মতো স্কোর। শেষ বিকেলে মিরাজের ৪৪ রান চট্টগ্রাম টেস্টকে টেনে নিয়েছিল ৫ম দিন পর্যন্ত।
এর আগে চট্টগ্রামের ফ্ল্যাট উইকেটে আগে ব্যাট করে রানের বিশাল পাহাড় দাঁড় করায় শ্রীলঙ্কা। ৬ অর্ধশতকের সুবাদে তাদের সংগ্রহ ছিল ৫৩১ রানের। কোনো সেঞ্চুরি ছাড়া এটাই দলীয় সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড। এরপর বাংলাদেশ যথারীতি দেখিয়েছে নিজেদের হতশ্রী ব্যাটিংয়ের নমুনা। ১৭৮ রানেই গুটিয়ে যায় নাজমুল হোসেন শান্তর দল। দলের পক্ষে ত্রিশোর্ধ্ব ইনিংস খেলেছেন মোটে দুজন।
তৃতীয় দিনের শেষ বিকেলে বাংলাদেশকে ক্ষণিকের স্বস্তি দিয়েছিলেন হাসান মাহমুদ। অভিষিক্ত এই বোলার ৪ উইকেট শিকার করেন। তবে চতুর্থ দিন ডিক্লেয়ার করার আগপর্যন্ত নিজেদের লিড ঠিকই ৫১০ পর্যন্ত টেনে নেয় লঙ্কান ব্যাটাররা। দ্বিতীয় ইনিংসে ১৫৭ রানে নিজেদের ইনিংস ঘোষণা করলে বাংলাদেশের সামনে টার্গেট দাঁড়ায় ৫১১। রানতাড়া করতে নেমে বাংলাদেশ যেতে পারে ৩১৮ পর্যন্ত।

SI/01/040424