চলছে খনন কাজ

কৈলাশটিলা থেকে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক যুক্ত হবে দুই কোটি ঘনফুট গ্যাস

post-title

ফাইল ছবি

দেশে গ্যাসের ঘাটতি পূরণে প্রতিদিন গড়ে আমদানি করা হয় ২৩০ কোটি ঘনফুট তরলকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি)। ক্রমবর্ধমান চাহিদা আর ঘাটতি পূরণে সরকার ৪৬টি কূপ খনন কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। যা থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে দৈনিক ৬০ কোটি ঘনফুট গ্যাস উৎপাদনের আশা করছে পেট্রোবাংলা।

পেট্রোবাংলার পরিকল্পনা অনুযায়ী, সিলেটের কৈলাশটিলা গ্যাস কূপ থেকে আগামী চার মাসের মধ্যে দৈনিক ২ কোটি ১০ লাখ ঘনফুট গ্যাস জাতীয় সঞ্চালন লাইনে যুক্ত হবে। সে লক্ষ্যেই কূপগুলোর খনন কাজ চলছে।

বিদ্যুৎ ও জালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, আমাদের টার্গেট হলো ৪৬টি কূপ থেকে প্রায় ৬০০ এমএমসি গ্যাস আমাদের পাইপলাইনে নিয়ে আসা। বাপেক্সের সবগুলো রিককে এখন কাজে লাগানো হচ্ছে। নিজস্ব কেনা রিক। তাই সাশ্রয়ীভাবে এটা আমরা ব্যবহার করতে পারি।

বিশ্লেষকরা বলছেন, স্থল ও সমুদ্রে আরও আগে জোরেশোরে গ্যাস অনুসন্ধান ও উন্নয়ন কার্যক্রম শুরু করা গেলে চলমান সংকট অনেকটাই কমে যেতো।

জ্বালানী বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক বদরুল ইমাম বলেন, দুর্বলতা বা ভুলটা হয়েছে যে, আগে আমরা এই কাজগুলো গ্রহণ করিনি। এতোদিন বসে ছিলাম। এখন আমরা টের পেয়েছি– বসে থাকাটা ঠিক হয়নি, নিজস্বভাবেই এটা করা যায়। এর ফল পেতে কিন্তু তিন চার বছর অপেক্ষা করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, এই কাজটা যদি পাঁচ বছর আগে করা যেতো, তাহলে গ্যাসটা এখন পাওয়া যেতো। গ্যাসের ঘাটতি মোকাবেলায় সমুদ্রে দ্রুতই অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরুর তাগিদ বিশেষজ্ঞদের।

SI/04/290324