রাত পোহালেই সিলেটের তিন উপজেলায় ভোট উৎসব

post-title

ফাইল ছবি

রাত পোহালেই সিলেটের ১০ উপজেলার মানুষ মাতবে ভোট উৎসবে। মঙ্গলবার ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দ্বিতীয় ধাপে দেশের ১৫৬টি উপজেলার সাথে সিলেট বিভাগের ১০টি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোটগ্রাহণ করা হবে।

দ্বিতীয় ধাপে সিলেটে কোম্পানীগঞ্জ, জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট উপজেলায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আজ। এই তিন উপজেলায় মোট ৩৭ জন প্রার্থী ভোট যুদ্ধে রয়েছেন। এর মধ্যে চেয়ারম্যান পদে ৯ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১৭ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১১ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।

এছাড়া সিলেট বিভাগের সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা, তাহিরপুর, বিশ্বম্ভরপুর ও জামালগঞ্জ. মৌলভীবাজার জেলার রাজনগর; হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল ও নবীগঞ্জ ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। আদালতের নির্দেশ মৌলভীবাজার সদর উপজেলার নির্বাচন স্থগিত রয়েছে।

অপরদিকে, ৬ষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ২য় পর্যায়ের সাধারণ নির্বাচন আজ অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত নির্বাচন উপলক্ষ্যে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, সিলেট-এর লাইব্রেরী শাখায় একটি কন্ট্রোলরুম স্থাপন করা হয়েছে। কন্ট্রোলরুমের নম্বর: ০১৯৭৯-০৬৭৪৫৪, ০২৯৯৬৬৪০৭৭৭। নির্বাচনী যে কোন প্রয়োজনে কন্ট্রোলরুমের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষার্থে দু’জন কর্মকর্তাগণকে কন্ট্রোলরুমে দায়িত্ব পালনের জন্য নিয়োজিত করা হয়েছে। তারা হলেন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার নিশাত আনজুম ও  সহকারী কমিশনার অর্থিতা হাওলাদার।

ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার কেন্দ্রগুলোতে পৌঁছে গেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। রাতের মধ্যে নির্বাচনী সরঞ্জামও পৌঁছে যাওয়ার কথা রয়েছে। তবে শুধুমাত্র ব্যালট পেপার স্ব স্ব কেন্দ্রে পৌছাবে ভোটের দিন সকালে। ভোটগ্রহণ শুরুর আগের ৩২ ঘণ্টা আগে থেকে অর্থাৎ রবিবার (১৯ মে) মধ্যরাত থেকে প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা বন্ধ রাখা হয়েছে।

এদিকে, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পুলিশ, র‌্যাব ও বিজিবির পর্যাপ্তসংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলরা। যেকোনো অনাকাংখিত পরিস্থিতি মোকাবেলায় ইতিমধ্যেই কাজ শুরু করেছে পুলিশ, র‌্যাব, আনসার ও বিজিবি। এছাড়াও গোয়েন্দা নজরদারির পাশাপাশি সাইবার নজরদারিও শুরু করেছে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। ভোট উৎসব নির্বিঘœ করতে প্রতিটি কেন্দ্রে পুলিশ ও আনসার সদস্য নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে। ইউনিয়ন পর্যায়ে একটি করে মোবাইল টিম সক্রিয় থাকবে।

এছাড়া প্রতিটি থানায় পুলিশ ও সশস্ত্র আনসার গার্ড ব্যাটালিয়ন (এজিবি) সদস্যদের স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে রাখা হচ্ছে। থানা এলাকায় র‌্যাব ও বিজিবি টহল দেবে। প্রয়োজন অনুযায়ী তারা অপারেশনে যাবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলরা।


এসএ/সিলেট