সিলেট জেলা রেস্তোরা মালিক সমিতি ও ক্যাটারার্স গ্রুপের জরুরী মতবিনিময় সভা

post-title

ছবি সংগৃহীত

গত ১ মে‘মহান মে দিবস’ পালনকে উপলক্ষ্য করে মহানগরীর বিভিন্নস্থানে অন্যায়ভাবে কিছুসংখ্যক হোটেল-রেস্তোরা ভাংচুরের ঘটনায় সিলেট জেলা রেস্তোরা মালিক সমিতি ও সিলেট ক্যাটারার্স গ্রুপের নেতৃবৃন্দের উদ্যোগে জরুরী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ মে) রাতে নগরীর কদমতলীস্থ বাস টার্মিনালের একটি আবাসিক হোটেলের হলরুমে এই জরুরী মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।

সিলেট জেলা রেস্তোরা মালিক সমিতি দক্ষিণ সুরমা শাখার সভাপতি আলহাজ¦ মো: আব্দুস ছত্তারের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদের পরিচালনায় জরুরী সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট জেলা রেস্তোরা মালিক সমিতির সভাপতি খালেদ আহমদ।

প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট ক্যাটারার্স গ্রুপের সভাপতি ও দি সিলেট চেম্বার অব কর্মাসের পরিচালক শান্ত দেব।

বিশেষ অতিথির হিসেবে উপস্থিত র্ছিলেন, সিলেট জেলা রেস্তোরা মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান সিদ্দিকী মুক্তা, সিলেট ক্যাটারার্স গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন আহমদ চৌধুরী বাবলু।

শুরুতে পবিত্র কালামে পাক থেকে তেলাওয়াক করেন সিলেট জেলা রেস্তোরা মালিক সমিতি দক্ষিণ সুরমা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদব সাদিকুর রহমান।

উপস্থিত ছিলেন, সিলেট জেলা রেস্তোরা মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক বদরুল ইসলাম, তোফায়েল আহমদ চৌধুরী, শরীফ আহমদ, আব্দুল কাদির, এমদাদ হোসেন, রাজা মিয়া, টিপু আহমদ, জহির আহমদ, রুহেল আহমদ, তারেক আহমদ, সলাউদ্দিন, মনির হোসেন, হায়দার, বেলাল আহমদ, রুহেল আহমদ, আনোয়ার হোসেন, সুহেল মিয়া, ফয়েজ প্রমুখ।

জরুরী সভায় বক্তারা বলেন, সিলেট পর্যটন নগরী। ছুটির দিনে অনেক পর্যটক এখানে আসেন। পর্যটকদের সুবিধার জন্য তারা ছুটির দিনগুলোতে রেস্টুরেন্ট খোলা রাখেন। এতে সারাবছর কোনও সমস্যা হয় না, কিন্তু মে দিবস এলে কিছু শ্রমিক নামধারী রেস্টুরেন্ট খোলা রাখলে নানা ধরনের সমস্যার সৃষ্টি করে। এতে পর্যটক ও ব্যবসায়ীগণ খুবই অসুবিধায় পড়েন।

সভায় গত ১ মে বুধবার ‘মহান মে দিবস’ পালনকে উপলক্ষ করে হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের ব্যানারে কতিপয় সন্ত্রাসী কর্তৃক নগরীর বিভিন্নস্থানে অন্যায়ভাবে কিছুসংখ্যক হোটেল-রেস্তোরাঁ ভাংচুরের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।

সভায় ন্যাক্কারজনক এই ঘটনার নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার জন্য স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানানো হয়।

এসএ/সিলেট